ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, ভাঙড়: গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ভুলে সবাইকে একসঙ্গে চলার বার্তার দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ দলনেত্রীর কড়া হুঁশিয়ারির পরেও বদলাল না পরিস্থিতি৷ উল্টে, নতুন বছরের প্রথম দিনে তৃণমূলের গোষ্ঠী-সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়াল ভাঙড়ে৷ বাজেরআইট এলাকায় শাসকদলের গোষ্ঠী-সংঘর্ষে জখম অন্তত সাত তৃণমূলকর্মী৷

ভাঙড়ে পাওয়ার গ্রিডকে তৈরিকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ভাঙড়৷ উত্তপ্ত ভাঙড়কে ঠাণ্ডা করতে মাঠে নেমেছেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ একই সঙ্গে দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মেটাতে শোভন-রেজ্জাক-আরাবুলদের নবান্নে ডেকে কড়া ভাষায় হুমকিও দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ দ্বন্দ্ব ভুলে ভাঙড়ে শান্তি মিছিল করার নির্দেশও দিয়েছিলেন তিনি৷ মমতার নির্দেশে ভাঙড়ে শান্তি মিছিলে রেজ্জাক-আরাবুল-কাইজারদের দেখা গিয়েছিল৷ ঐক্যবদ্ধের ছবি তুলে ধরার দু’দিনের মধ্যেই ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠল তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব৷

সূত্রের খবর, বাজেরআইট গ্রামের বাসিন্দা জহির আলি মোল্লার ৪০ বছরের পুরানো কয়েকটি দোকান দখল করার চেষ্টা করেন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি রফিক মোল্লা৷ রফিক ও জহির তৃণমূলের দুই পরস্পর বিরোধী গোষ্ঠীর সদস্য বলে স্থানীয় সূত্রে খবর৷ অভিযোগ, রবিবার রাতে রফিক দলবল নিয়ে জহিরের দোকানে হামলা চালায়৷ মারধর করা হয় জহির ও তাঁর মা সহ বেশ কয়েকজনকে৷ ঘটনায় জখম হন সাতজন৷ এলাকায় অশান্তির খবর পেয়ে রাতে বাজেরআইটে যায় ভাঙড় থানার পুলিশ৷ ঘটনায় তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি রফিক মোল্লাকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷