গ্যাংটক : একটানা বৃষ্টিতে ভয়াবহ ভূমিধসের শিকার সিকিম। উত্তর সিকিমের পাসিংডাং গ্রামে রবিবার ভয়াবহ ভূমিধসের খবর মেলে। যদিও কোনও প্রাণহানি হয়নি। তবে সম্পত্তির প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন আগে থেকেই সতর্কবার্তা পেয়ে এলাকার বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে দেয়। ফলে প্রাণহানির কোনও খবর নেই। এই ভূমি ধসের ফলে ডোজোংগু এলাকা পুরোপুরি সিকিমের অন্যান্য অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। কোনও গাড়ি ওই এলাকায় যেতে পারছে না।

অন্যদিকে, উত্তর সিকিমের জেলা সদর উত্তর মঙ্গনও পুরোপুরিভাবে বিচ্ছিন্ন এই ভূমিধসের জেরে। রবিবার টানা বৃষ্টি চলছে সিকিম জুড়ে।

এদিকে, ভয়ঙ্কর বন্যা পরিস্থিতি গোটা অসম জুড়ে। অসমের প্রায় ১৬ টি জেলায় ইতিমধ্যেই প্রবেশ করেছে বন্যার জল। এরফলে ক্ষতির মুখে পড়েছেন ২ লক্ষ ৫৩ হাজার মানুষ। নতুন করে আরও একজনের মৃত্যু হওয়াতে মোট মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ১৬ তে।

রাজ্যের সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্থ জেলা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে রয়েছে ধেনাজি। এছাড়া তিনসুকিয়া, মাজুলি এবং ডিব্রুগড়ও বন্যার জেরে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

অসমের বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর জানাচ্ছে, বন্যার জেরে নতুন করে যে একজন প্রাণ হারিয়েছেন তাঁর মৃত্যু হয়েছে ড্রিবুগড়ে।

সরকারি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ব্রহ্মপুত্র নদ ও তার শাখা নদীগুলি বেশ কয়েকটি স্থানে বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে। যার ফলে ধেমাজি,লাখিমপুর, বিশ্বনাথ, উদালগুড়ি, দারান্ফ, বক্সা, নলবাড়ি, কোকরাঝাড়, বারপেটা, নাগাঁও, গোলাঘাট, জোড়াহাট, মাজুলি, শিবসাগর, ডিগ্রুগড় ও তিনসুকিয়া জেলাগুলিতে বন্যা হয়েছে।

পবিটোড়া ওয়াইল্ড লাইফ স্যাংচুয়ারির ৬০ শতাংশ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। যার ফলে ওই বনের এক শৃঙ্গ গন্ডার সহ অন্য প্রাণীগুলিকে নিকটবর্তী উচ্চভূমিতে যেতে বাধ্য করেছে।

এই অভয়ারণ্যে রয়েছে ১০০ টিরও বেশি গন্ডার। রয়েছে ১৫০০ বুনো মহিষ। এছাড়া শূয়োর রয়েছে কয়েক হাজার। এক রেঞ্জার জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার বন্যার জল অভয়ারণ্যে প্রবেশের পর থেকেই বর্তমানে পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক রয়েছে।

এএসডিএমএ জানিয়েছে, জেলা কর্তৃপক্ষ ছটি জেলায় ১৪২ টি ত্রাণ শিবির এবং বিতরণ কেন্দ্র স্থাপন করেছে। যেখানে ১৮ হাজারেরও বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।