আহমেদাবাদ: গুজরাতের সৌরাষ্ট্রে মঙ্গলবার নিয়ে টানা তিন দিন ধরে চলছে বৃষ্টি। গত দু’দিনে সৌরাষ্ট্রের নিম্নাঞ্চল থেকে সরানো হয়েছে এক হাজারেরও বেশি মানুষকে।

মঙ্গলবারও এনডিআরএফ জামনগরের জোদিয়া থেকে ৯ জন, ধ্রোল থেকে ২ জন পোরবন্দর জেলার একটি গ্রাম থেকে তিনজনকে উদ্ধার করেছে। এই অবকটি গ্রামই নদী তীরবর্তী এলাকায় অবস্থিত। ফলে বিপদের মাত্রা বেশি।

দেবভূমি দ্বারকা, জামনগর, জুনাগড়, পোরবন্দর এবং সৌরাষ্ট্রের রাজকোট জেলার বেশ কয়েকটি অংশে ভারী বৃষ্টি হয়েছে বলে খবর। জাম্নগরে ১৭১ মিমি বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে খবর।

দেবভূমি দ্বারকা জেলার ভানবাদ ও কল্যাণপুর তালুকাস এলাকায় মঙ্গলবার সকাল ৬ টা থেকে বিকেল ৪ টে পর্যন্ত ১৫৫ মিমি এবং ১১৯ মিমি বৃষ্টি হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে জামনগরের বেশ কয়েকটি আবাসিক এলাকায় জল জমে গিয়েছে। ফলে থমকে গিয়েছে এলাকার মানুষের জনজীবন।

স্থানীয়দের মতে, বেশ কয়েকটি নদীতে বন্যার ফলে গ্রামে বন্যার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। জমজোধপুরের একটি মন্দির বৃষ্টির জলে ডুবে যায় বলে খবর।

অন্যদিকে অসমে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ প্রায় ৭ লক্ষ মানুষ। বন্যার জেরে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ ১৭ টি জেলা। ধেমাজি, বিশ্বনাথ, চিরং, দারং, নলবাড়ী, বরপেটা, কোকরাঝার, ধুবড়ি, দক্ষিণ সালমারা, গোলপাড়া, কামরূপ, কামরূপ মেট্রোপলিটন, মরিগাঁ, নাগাঁ, গোলাঘাট, জোড়াহাট এবং তিনসুকিয়া এলাকায় বন্যার জেরে ৬.৮ লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন।

বর্তমানে জানা যাচ্ছে, ১০৭৩ টি গ্রাম এখনও জলের তলায় ও ৪৫ হাজার হেক্টরের বেশি জমি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ