পুণে: মুম্বইয়ের পরে এবার পুনে। ভারী বর্ষণের কারণে কার্যত স্তব্ধ হয়ে রয়েছে পুণে। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত অত্যধিক বৃষ্টির কারণে প্রান হারিয়েছেন বেশ কয়েকজন সাধারণ মানুষ।  দেওয়াল চাপা পরেও বেশ কিছুজন প্রাণ হারিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

পুনের ডিসট্রিক্ট কালেক্টর কিশোর রাম অত্যধিক বর্ষণের কারণে পুনে, পুরান্দার, বরামতি ভোর এবং হাভেলি তেহসিল এর স্কুল এবং কলেজ গুলোতে ছুটি ঘোষণা করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর একটি দল পুনের সিনহাগাদ রোডের কাছ থেকে একটি মৃতদেহ উদ্ধার করেন।

বুধবার সাহকারনগর এলাকার অতি বৃষ্টির কারণে দেওয়াল ভেঙে পরার কারণে ৬ জন মানুষ মারা যান। প্রায় ১৫০ গুলো বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই অতি বৃষ্টির কারণে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ অতিবৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া পরিবারের প্রতি সংবেদনা জানিয়েছেন এবং সরকারের তরফ থেকে সব মানুষদের সাহায্য করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর তিনটি দলকে যথাক্রমে পুনে এবং বরামতিতে ইতিমধ্যে মোতায়েন করা হয়েছে এবং তারা সেখানে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। এছাড়াও রাজ্য সরকার প্রত্যক্ষভাবে সকল কাজের তদারকিও করছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

বুধবার মৌসম ভবন জানিয়েছিল মুম্বই-সহ মহারাষ্ট্রের বেশ কিছু এলাকাতে ঝড় বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার রাত থেকেই পুণের বেশ কিছু এলাকাতে প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়। শহরের দক্ষিণ এবং দক্ষিণ পশ্চিমাংশ যা কাটরাজ নামে পরিচিত প্রায় জলমগ্ন হয়ে পরে। মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যে বিবাওয়েওয়াদিতে ১১২ এমএম বৃষ্টি হয়।

এছাড়াও অতি বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন জায়গাতে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।