বেঙ্গালুরু: একদিকে অসমে যখন বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। তখন বন্যার আতঙ্কে কাঁটা হয়ে রয়েছেন কর্নাটকের বেশ কিছু কৃষক। ব্যাপক বৃষ্টির জেরে এই রাজ্যে ডোনি নদী ও সোগালীতে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। এরফলে দুর্দশার মধ্যে পড়েছেন বিজয়পুরা জেলার তালিকোট তালুকের কৃষক ও পড়ুয়ারা।

জানা গিয়েছে নদীর জল বন্যার জেরে উপচে পড়ে পাশের বিস্তীর্ণ কৃষি জমিতে পড়ে, চাষের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে।

সূত্র জানাচ্ছে, বন্যার জেরে সোমবার পরীক্ষার কেন্দ্রে পৌঁছতে গিয়ে নাজেহাল হয়েছেন বেশ কিছু পরীক্ষার্থী। উল্লেখ্য, এসময়ও পরীক্ষা চলছে কর্নাটকে।

সাত থেকে আট ঘন্টা টানা এই বৃষ্টির জেরে রাতারাতি তালিকোট তালিকার বেশ কয়েকটি গ্রামে জল ধুকে পড়েছে। ভেঙে গিয়েছে বেশ কিছু বাড়ি। ফলে দুর্দশা বেড়েছে গ্রামবাসীর।

বিজয়পুরা সিটি, বাসভনা বাগেওয়াদী, মুদ্দেবীহল ও সিন্দাগি এলাকায় ভারী বৃষ্টির খবর পাওয়া গিয়েছে।

ধরওয়াদ জেলার হরোবেলাবাদীর এক কৃষক স্রোতের তোড়ে ভেসে যান। পরে ৪০ বছরের ওই কৃষকের দেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া স্রোতের জোর এতি বেশি ছিল যে কোন্দাপুরে একটি ট্রাক্টরও স্রোতের সঙ্গে ভেসে যায়।

অন্যদিকে একটানা বৃষ্টিতে ভয়াবহ ভূমিধসের শিকার সিকিম। উত্তর সিকিমের পাসিংডাং গ্রামে রবিবার ভয়াবহ ভূমিধসের খবর মেলে। যদিও কোনও প্রাণহানি হয়নি। তবে সম্পত্তির প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

পাশাপাশি ভয়ঙ্কর বন্যা পরিস্থিতি গোটা অসম জুড়ে। অসমের প্রায় ১৬ টি জেলায় ইতিমধ্যেই প্রবেশ করেছে বন্যার জল। এরফলে ক্ষতির মুখে পড়েছেন ২ লক্ষ ৫৩ হাজার মানুষ। নতুন করে আরও একজনের মৃত্যু হওয়াতে মোট মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ১৬ তে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ