ফাইল ছবি

আগরতলা: মেঘ ভাঙা বৃষ্টির জেরে বানভাসী ত্রিপুরার বিস্তীর্ণ অংশ৷ ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় কেটে গিয়েছে৷ আবহাওয়ার উন্নতির কোনও লক্ষণ নেই৷ দফায় দফায় ভারী থেকে অতি বৃষ্টির জেরে প্লাবিত বহু এলাকা৷ অনেক জায়গায় বাড়িঘর ছেড়ে ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিতে হয়েছে ৭০০র বেশি মানুষকে৷

শুক্রবার থেকে ত্রিপুরায় আবহাওয়া খারাপ হতে শুরু করে৷ মেঘ কালো করে ওঠে ঝড়৷ সঙ্গে বিদ্যুতের ঝলকানি৷ তারপরেই শুরু বৃষ্টির৷ লাগাতার বৃষ্টির জেরে অনেক নিচু জায়গায় জল জমতে শুরু করে৷ গ্রামের দিকে পরিস্থিতি খারাপের দিকে চলে যায়৷ বাড়িতে জল ঢুকে পড়ে৷ কোনরকমে পরিবার নিয়ে স্থানীয় ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিতে শুরু করে মানুষ৷ তবে স্বস্তির খবর এই যে, এখনও অবধি কোনও মৃত্যুর খবর নেই৷

প্রশাসনের কর্তারা জানিয়েছেন, প্রবল বৃষ্টিতে বিধ্বস্ত উত্তর ত্রিপুরা৷ ঝড় বৃষ্টির জেরে ১ হাজার ৩৯ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে৷ অবস্থা খারাপ উনাকটি ও ধালাই জেলার৷ শনিবার দুপুরের পর উনাকটিতে মনু নদীর জল বিপদসীমা পাড় করে গিয়েছে৷ ঝড়ো হাওয়ায় অনেক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়েছে৷ বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গিয়েছে৷

চারিদিক জলে থইথই৷ প্রবল বৃষ্টির জেরে অনেক জায়গায় মানুষ আটকে পড়েছেন৷ তাদের উদ্ধারে প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে নামানো হয়৷ এদিকে স্টেট এমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টার (এসইওসি)র রিপোর্ট বলছে, বিভিন্ন জায়গা থেকে বন্যা দুর্গতরা ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন৷ মোট ৩৫৮টি শিবির খোলা হয়েছে৷ এখনও অবধি ৭৩৯ জন মানুষ সেখানে রয়েছেন৷

এদিকে রাজ্যের আবহাওয়া উন্নতির কোনও সম্ভাবনা এখনই নেই৷ হাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঝড়ো হাওয়া সঙ্গে বৃষ্টি রবিবারও চলবে৷