স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি : নিম্মচাপের জেরে উত্তরের বৃষ্টি আরও ভোগান্তি বৃদ্ধি করবে সেখানকার মানুষের। বৃষ্টি কমবে তো নাই, উলটে আরও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা দিচ্ছে আবহাওয়া দফতর। যা হতে পারে আগামী দুই দিন। প্রবল বর্ষণের জেরে দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার পাহাড়ে ধসের পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

শুক্রবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়বে বলেও জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। এদিকে টানা বৃষ্টির জেরে তিস্তার অসংরক্ষিত এলাকায় হলুদ সংকেত জারি করেছে প্রশাসন। লাগাতার বৃষ্টির জেরে জলপাইগুড়ি পুর এলাকার প্রায় সবকটি ওয়ার্ড জলমগ্ন।

বুধবার তিস্তা ব্যারেজ থেকে জল ছাড়া হয়েছে ৩১২১.৭৬ কিউসেক। যারফলে দোমহনী থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত তিস্তার অসংরক্ষিত এলাকায় জারি হয়েছে হলুদ সংকেত। টানা বৃষ্টির জেরে করলা, জলঢাকা সহ ডুয়ার্সের অন্যান্য নদীর জলস্তর বাড়ছে বলে খবর জানা গিয়েছে সেচ দফতরের ফ্লাড কন্ট্রোল রুম সূত্রে।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মহারাষ্ট্র থেকে পশ্চিমবঙ্গে হিমালয়ের পাদদেশে আবহাওয়া পরিমণ্ডলে একটি গভীর নিম্নচাপরেখা সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে এসে যুক্ত হচ্ছে বঙ্গোপসাগর থেকে বয়ে আসা জলকণাপূর্ণ বাতাস। এর ফলে উত্তরবঙ্গে বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে আগামী কয়েক দিন ভারী বৃষ্টির হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার পার্বত্য অঞ্চলে ধসের প্রবণতা বাড়বে। এদিকে মঙ্গলবার থেকে টানা বৃষ্টির জেরে জলমগ্ন হয়েছে উত্তরের একাধিক জেলা।

গত ২৪ ঘন্টায় জলপাইগুড়িতে বৃষ্টিপাতের পরিমান ১৭৭.৪০ মিলিমিটার, আলিপুরদুয়ারে ১০২.৪০ মিলিমিটার, কোচবিহারে ৯০ ৩০ মিলিমিটার ,শিলিগুড়িতে ১৩০.০০ মিলিমিটার, মালবাজারে ১১২.০০ মিলিমিটার, হাসিমারাতে ৭৯.০০ মিলিমিটার ,বানারহাট ১৩১.০০ মিলিমিটার , তুফানগঞ্জে ১৪৭ ৬০ মিলিমিটার , ময়নাগুড়িতে ২৪০.০০মিলিমিটার , মাথাভাঙায় ৯৯.২০ মিলিমিটার।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।