কলকাতা:  দুপুরেই অন্ধকার করে আসল। কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হল মুষলধারে শুরু হল বৃষ্টি। কলকাতা সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় প্রবল ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সঙ্গে প্রবল বজ্রপাত। ইতিমধ্যে হাওয়া অফিসের তরফে বজ্রপাতের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেই মতো সাধারণ মানুষকে নিরাপদে থাকার জন্যে বলা হয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরে উত্তরবঙ্গে প্রবল বৃষ্টি হলেও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দেখা যায়নি। যথারীতি বাড়ছিল অস্বস্তি। বাড়তে থাকে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও। শনিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি।

শুক্রবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। কলকাতায় ০.১ মিলিমিটার, দমদমে বৃষ্টি হয়নি, সল্টলেকে ৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯১ শতাংস, সর্বনিম্ন ৬২ শতাংশ। সকাল থেকেই যথারীতি মেঘলা আকাশ। বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ৩৪ থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে।

শুক্রবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। বৃহস্পতিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। কলকাতায় ৫.৮ মিলিমিটার, দমদমে ১১ মিলিমিটার, সল্টলেকে ১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯২ শতাংস, সর্বনিম্ন ৬৬ শতাংশ। সকাল থেকেই যথারীতি মেঘলা আকাশ। বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ৩৪ থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে।

তবে এদিন বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল আলিপুর হাওয়া অফিস। সকালেই হাওয়া অফিস জানায় সমগ্র দক্ষিণবঙ্গেই হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা যায়, আগামী কয়েকদিনে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রামে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।

সিকিমে ফুঁসছে বিভিন্ন নদী। ভাসার অপেক্ষায় উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি অঞ্চল। এনএইচপিসি’র উদ্বিগ্নতা সেই কথাই জানাচ্ছে। উত্তরবঙ্গের চেয়ে আরও অনেক বেশি বৃষ্টি হচ্ছে সিকিমের পাহাড়ে। এতেই বাড়ছে নদীর জল। বাড়ছে উদ্বিগ্নতা।

বৃষ্টির জেরে রঙ্গিত নদীর জলস্তর বেড়ে গিয়েছে। প্রবল বৃষ্টির জেরে রঙ্গিত নদীর উপরে তৈরি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বাঁধ থেকে জল ছাড়তে বাধ্য হয় এনএইচপিসি। সৌজন্যে সিকিম জুড়ে ১০০ মিলিমিটারের প্রবল বৃষ্টি। প্রকল্পের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে। বৃষ্টি চলছে উত্তরবঙ্গেও।

ক্রমে বাড়ছে উত্তরের বৃষ্টির পরিমান। শনিবার সকাল পর্যন্ত বালুরঘাটে ৪৩.০, কোচবিহারে ১৯.২, দার্জিলিংয়ে ২.৮, জলপাইগুড়িতে ৯৩.০, কালিম্পঙে ৭.০, শিলিগুড়িতে ৬১.৪, মালদহে ২৪.১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত কোচবিহারে ১২.৯, দার্জিলিংয়ে ১৮.২, জলপাইগুড়িতে ৫০.৪, কালিম্পঙে ১১.০, শিলিগুড়িতে ৫৬.০, মালদহে ২৫.৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। এই অঙ্কতেই বৃষ্টি বৃদ্ধির অঙ্ক স্পষ্ট।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ