স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : বৃহস্পতিবারর থেকে একটানা অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা উত্তরবঙ্গে। প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা জলপাইগুড়ি, কোচবিহার,আলিপুরদুয়ারে। অতিবৃষ্টির কারণে দার্জিলিং,কালিম্পং সহ পার্বত্য এলাকায় ধ্বসের আশঙ্কা। জলপাইগুড়ি কোচবিহার আলিপুরদুয়ারের নিচু এলাকা প্লাবিত হতে পারে। নদীর জল স্তর হু হু করে বাড়বে সপ্তাহান্তে।

অতি সক্রিয় মৌসুমী অক্ষরেখার পূর্বাংশ আগামী ১২ ঘন্টায় উত্তরবঙ্গের দিকে সরে যাবে। বর্তমানে অক্ষরেখার পূর্বাংশ বারানসী, গয়া হয়ে বীরভূমের শান্তিনিকেতনের উপর দিয়ে বিস্তৃত। ধীরে ধীরে এই অক্ষরেখার পূর্বাংশ সরে উত্তরবঙ্গের হিমালয়ের পাদদেশ এলাকায় অবস্থান করবে। সক্রিয় মৌসুমী অক্ষরেখার পশ্চিম অংশের ফলে আগামী কয়েকদিন উত্তরাখণ্ড,উত্তরপ্রদেশ, বিহার, উত্তরবঙ্গ অসম, মেঘালয়, অরুণাচল এই এলাকায় অতি ভারী বৃষ্টির সর্তকতা। এদিকে বৃষ্টি হলেও কলকাতার তাপমাত্রা কিছুতেই কমছে না। উলটে তা থাকছে সেই স্বাভাবিকের উপরেই। বুধবারের পর আজ বৃহস্পতিবারও সেই একই পরিস্থিতি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে স্বাভাবিকের উপরে। বর্ধমান রয়েছে সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও।

বৃহস্পতিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। বুধবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। কলকাতায় ৩.৮ মিলিমিটার, দমদমে ছিটেফোঁটা, সল্টলেকে বৃষ্টি হয়নি। আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯১ শতাংস, সর্বনিম্ন ৭০ শতাংশ। সকাল থেকেই যথারীতি মেঘলা আকাশ। বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ৩৪ থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে।

বুধবারও সাত সকালেই অল্প বৃষ্টি হয় কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে। বুধবার ওইদিন শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি ছিল। মঙ্গলবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম ছিল। কলকাতায় ২৬.২, দমদমে ৭.৭, সল্টলেকে ১৩.১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। শহরে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমান ছিল সর্বোচ্চ ৯৫ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৭৬ শতাংশ।

হাওয়া অফিস জানাচ্ছে সমগ্র দক্ষিণবঙ্গেই হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা যাচ্ছে, আগামী কয়েকদিনে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রামে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।

প্রশ্ন অনেক: তৃতীয় পর্ব