নয়াদিল্লি: ক্রমশ বাড়ছে গরম। দু’দিন আগেই পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে সুপার সাইক্লোন আমফান। এরপরই বাড়তে শুরু করেছে তাপমাত্রা। পড়ছে জৈষ্ঠ্যের গরম। এবার রাজধানী দিল্লিতে ‘হিট ওয়েভ’ বা তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করল মৌসম ভবন।

শনিবারই এই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। আগামী ২৪ থেকে ২৭ মে-র মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন অংশে এই তাপপ্রবাহ জারি থাকবে। শনিবার এক প্রেস বিবৃতিতে একথা জানিয়েছে মৌসম ভবন। মূলত দিল্লি ও উত্তর-পূর্ব ভারতের উপর দিয়ে এই তাপপ্রবাহ দেখা যাবে। মূলত গরম ও শুকনো হাওয়া বইতে থাকবে ওই অঞ্চলে।

এছাড়াও ২৮ মে থেকে হাজির হবে পশ্চিমি ঝঞ্ঝা। যার জেরে ধুলো ঝড় ও বজ্র-বিদ্যুৎ সহ ঝড় হবে। ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বইবে ঝড়। ২৯ ও ৩০ মে ওই ঝড় হবে দিল্লি ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে।

২৫ থেকে ২৭ মে উত্তর-পূর্ব ভারতে প্রচুর বৃষ্টিপাত হবে। আর তাপপ্রবাহের সময় রাজস্থানের চুরুতে ৪৬ ডিগ্রিতে পৌঁছতে পারে তাপমাত্রা। মৌসম ভবনের বিবৃতি আনুযায়ী, দিল্লি ছাড়াও পূর্ব রাজস্থান ও বিদর্ভে তাপপ্রবাহ হবে।

এদিকে সুপার সাইক্লোন চলে যাওয়ার পর ফের বৃষ্টির সম্ভাবনা রাজ্যে। আগামী ৪৮ ঘন্টায় ফের হতে পারে ভারী বৃষ্টি। জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে দক্ষিণবঙ্গে নয় বৃষ্টি ভাসাতে পারে এবার উত্তরবঙ্গকে।

আমফান আসার দিন থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে উত্তরবঙ্গে। তার আগেও যখন দক্ষিণবঙ্গে প্যাচপ্যাচে গরম চলছে, তখনও পাহাড়ে গড়ে ৩৮ থেকে ৪০ মিলিমিটার বৃষ্টি হচ্ছিল। আমফান পরবর্তী রাজ্যে পাহাড়ি পাঁচ জেলায় ফের মিলছে বৃষ্টির পূর্বাভাস তাও ভারী বৃষ্টির। উত্তরের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, কালিম্পঙ ও আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টি হতে পারে আগামী ৪৮ ঘণ্টায়। জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। আলিপুরদুয়ার , কোচবিহার, জলপাইগুড়িতে সব থেকে বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।

শনিবার সকালে কোচবিহারে ১৭.২ ও জলপাইগুড়িতে ১.২ ও দার্জিলিংয়ে ০.৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত কোচবিহারের ৫২.৫ মিলিমিটার, জলপাইগুড়িতে ৩৭.২ মিলিমিটার, দার্জিলিংয়ে ৮.৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছিল। উত্তরবঙ্গের সমস্ত জেলগুলির সর্বনিম্ন গড় তাপমাত্রা ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।