স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমার ফের রক্ষাকবচ পাবেন? নাকি আগের রায়ই বহাল থাকবে? কি হবে, তা জানা যাবে আর কয়েক ঘন্টা পরই।

আজ বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে ফের শুরু হবে সারদা মামলায় রাজীব কুমারের আগাম জামিনের আবেদনের শুনানি। সকাল সাড়ে দশটায় বিচারপতি শহীদুল্লাহ মুন্সী ও বিচারপতি শুভাশিস দাশগুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি শুরু হবার কথা।

সিবিআই সূত্রে খবর, কলকাতা হাইকোর্টে প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমার যদি আগাম জামিন পেয়ে যায়, তাহলে সেই রায়কে উচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ করবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা । এছাড়া রাজ্য প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সিবিআই জানে ২৫ সেপ্টেম্বর রাজীব কুমারের ছুটি শেষ হয়ে গিয়েছে।

অন্যদিকে শোনা যাচ্ছে, রাজ্যের এডিজি সিআইডি রাজীব কুমার তার ছুটির মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য রাজ্য প্রশাসন কে আবেদন করেছেন। তবে সেই আবেদন মঞ্জুর হয়েছে কিনা, সেই বিষয়ে রাজ্য প্রশাসনের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, গতকাল কলকাতা হাইকোর্টে রাজীব কুমারের আগাম জামিন সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়েছে একটি রুদ্ধদ্বার কক্ষে অর্থাৎ ইন ক্যামেরা। সেখানে মামলায় যুক্ত ব্যক্তিরা ছাড়া অন্য কোনও ব্যক্তিকে ঢোকতে দেওয়া হয়নি। এমনকি সাংবাদিকদেরও এজলাসে উপস্থিত থাকার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট৷

এর আগে, ডিভিশন বেঞ্চে পিছিয়ে যায় রাজীব মামলার শুনানি। গত বুধবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল৷ তার আগে গত মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি সইদুল্লা মুনশির এজলাসে মামলার শুনানি ছিল। শুনানিতে মামলাটি গ্রাহ্য করা হলেও আদালত তা শুনতে নারাজ ছিল। বলা হয় বুধবার ফের এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হবে৷ অন্যদিকে, মঙ্গলবারও, সিবিআইয়ের তরফে রাজীবের খোঁজে চলে তল্লাশি।

ইতিমধ্যে রাজীব কুমারের উপর দিয়ে উঠে গিয়েছে রক্ষাকবচ। আলিপুর আদালত প্রাক্তন কলকাতা পুলিশ কমিশনারের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। আদালত তার নির্দেশে জানিয়ে দেয় যে, গ্রেফতারি পরোয়ানার কোনও প্রয়োজন নেই। সিবিআই তাঁর ক্ষমতা বলেই রাজীব কুমারকে গ্রেফতার করতে পারে।

এরপর থেকে রাজীব কুমারকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার জন্যে কার্যত রণকৌশল সাজাতে থাকে সিবিআই। প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারের খোঁজ পেতে দিল্লি থেকে স্পেশাল টিমও আসে। তবে ১৪ দিনেরও সিবিআই রাজ্যের গোয়েন্দা প্রধানের খোঁজ পায়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.