স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: এই প্রথম জলপাইগুড়ি ট্রাফিক পুলিশের কার্যালয়ে বসল আদালত। গাড়ির যাবতীয় মামলার সুরাহা করা হল আদালতে। রবিবার জলপাইগুড়ি থানা মোড়ে ট্রাফিক কার্যালয়ে লোক আদালত বসে। জরিমানা করা গাড়ির মালিকদের শেষ সুযোগ দিতে জরিমানার পরিমান কমিয়ে দেওয়া হয় আদালতের মাধ্যমে।

সদর ট্রাফিক পুলিশ দফতর সুত্রে জানা গিয়েছে ট্রাফিক ফাইন সংক্রান্ত প্রাক-মামলার নিষ্পত্তি করতে এই প্রথম লোক আদালত বসতে চলছে। এদিন প্রায় শতাধিক মামলার নিষ্পত্তি ঘটানো হয়। যে গাড়ির জরিমানা করা হয়েছিল দু হাজার টাকা সেই গাড়ির জরিমানা আদালতের মাধ্যমে চার থেকে পাঁচশো টাকায় নিষ্পত্তি করানো হয়। আবার অনেক গাড়ির মালিকের আর্থিক অবস্থা খারাপ থাকায় সেই জরিমানা সামান্য টাকা জমা নেয় আদালত৷

আরও পড়ুন : লাল ডায়েরি-পেন ড্রাইভের খোঁজেই কি কমিশনারের বাড়িতে সিবিআই

এদিনের এই লোক আদালতের পরিচালনায় ও ব্যবস্থাপনায় ছিল জলপাইগুড়ি জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ। সহযোগিতায় হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল জলপাইগুড়ি সদর ট্রাফিক পুলিশ। এদিন সকাল থেকে ট্রাফিক কার্যালয়ে ভিড় ছিল চোখে পরার মত।

সদর ট্রাফিক পুলিশের ডিএসপি দিবাকর দাস বলেন, এই প্রথম মোবাইল লোক আদালতের মাধ্যমে ট্রাফিক অফিসে আদালত বসেছে। যে সকল গাড়ির চালক জরিমানা টাকার পরিমান বেশি ছিল তারা অনেকটা কম টাকার বিনিময়ে মামলার নিষ্পত্তি ঘটাল। আজই প্রথম এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমরা জেলার বিভিন্ন থানাতেও এই ধরনের আদালতের ব্যবস্থা করব।

এদিকে জেলা আইনি পরিষেবার সচিব অস্মিতা সমাজদার বলেন, “যে সকল গাড়ি চালককে জরিমানা করা হয়েছিল তাদের সুবিধাত্বে এই ধরনের উদ্যোগ। জরিমানা করা টাকার পরিমান কমিয়ে দেওয়া হয়। তাই বলে এই নয় তারা ফের আইন ভেঙে গাড়ি চালাবে। শেষ বারের মত আদালতের মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তি করা হল।”