সংখ্যার দিক দিয়ে বয়স বাড়ছে বাড়ুক। কিন্তু মনের বয়স বাড়তে দেওয়া যাবে না।

তবে তাই বলে আবার অ্যান্টি-এজিং ক্রিম (anti ageing cream), চুল শক্তপক্ত রাখার তেল, চামড়ায় ভাঁজ না পড়ার লোশন ব্যবহারের দিকে ঝুঁকবেন না। নইলে দেখবেন একটা সময় পর গিয়ে এরাও আপনার সঙ্গে ছেড়ে দিয়েছে।

শেষমেশ মন অকারণেই হয়ে পড়ছে উত্তেজিত। মনের কোণে বাসা বাঁধছে অবসাদ।

যে কোনো চল্লিশোর্ধ মেয়ের জীবনে সাধারণভাবে এটাই হয়। কিন্তু আপনি চাইলেই সেই পরিবর্তন আনতে পারেন। চাইলেই উপরের তথ্যগুলিকে ভুল প্রমাণ করতে পারেন।

একগুচ্ছ কেমিক্যাল ব্যবহারের বদলে আপন করুন প্রকৃতিকে। মেনে চলুন কয়েকটা সহজ টিপস আর কেল্লা ফতে।

আরো পোস্ট- বাড়িতে থেকে চিকিৎসা করানো করোনাক্রান্তদের জন্যে সুখবর

১. রোদ এড়িয়ে: যতটা পারেন নিজের রোদের আড়ালে রেখে রোদ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। সূর্যের ইউভি রশ্মি ত্বকে প্রভাব ফেলে ও বয়সের ছাপ ফেলে।

তাই রোদে বেরোনোর অন্তত ১৫ মিনিট আগে SPF ৩০ সানস্ক্রিন (sunscreen) ব্যবহার করতে যেন না ভোলেন। সেটি আপনার সঙ্গেই রাখবেন।

মাঝে মাঝে মুখ ধুয়ে নিয়ে অল্প লাগিয়ে নেবেন। সঙ্গে আবার মাথা ব্যথা বা চোখে ব্যথার থেকে রক্ষা পেতে ছাতা, টুপি কিংবা ওড়না রাখাও ভালো।

২. জল পান: ত্বকের জেল্লা শুধু বাইরে থেকে নয়, তখনই বাড়ে যখন আপনি ভিতর থেকে একেবারে তরতাজা ও আদ্র থাকেন। বিশেষ করে, পেট পরিষ্কার ও ঠান্ডা থাকতে হবে।

প্রতিদিন অন্তত তিন থেকে চার লিটার জল পান করার চেষ্টা করুন। ঘুম থেকে উঠে ১ গ্লাস জল পান আবশ্যক।

এতে শরীরে এই গরমেও ডিহাইড্রেশন (dehydration) হয় না। ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে সেই সঙ্গে।

৩. সক্রিয় থাকুন: নানা কর্মব্যবস্তার মধ্যেও খানিকটা সময় বের করে শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলিকে সক্রিয় রাখুন। তাই নিয়মিতভাবে ব্যায়াম বা যোগাসনের (yoga) জন্য সময় বের করুন।

৪. বিউটি স্লিপ (beauty sleep): এই বিষয়টিকে ভুলে গেলে চলবে না। ৮ ঘন্টা নির্বিঘ্নে ঘুম দরকার রোজ। শরীরের ক্ষয়প্রাপ্ত কোষ জেগে ওঠে ও রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.