কলকাতা: সংকটজনক মুকুল রায়ের (Mukul Roy) স্ত্রী কৃষ্ণা রায় (Krishna Roy) । অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মুকুল-জায়া। একমো সাপোর্টে রাখা হয়েছে তাঁকে। মুকুল রায়ের স্ত্রীর ফুসফুস (Lungs) প্রতিস্থাপনের পরিকল্পনা করেছিলেন চিকিৎসকরা। যাবতীয় প্রস্তুতি সাড়া হয়ে গিয়েছে। এখন ব্রেন ডেথ (Brain Death) হওয়া এমন ফুসফুসদাতার খোঁজ চলছে। ইতিমধ্যেই চেন্নাই থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের দল এসে দেখেছেন কৃষ্ণা রায়কে। মুকুল রায়ের স্ত্রীর শারীরিক পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটজনক। এই মহূর্তে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে করে তাঁকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

করোনা (Corona) আক্রান্ত হয়েছিলেন সস্ত্রীক মুকুল রায়। তিনি নিজে ও স্ত্রী কৃষ্ণা রায় ভর্তি হন বাইপাসের ধারে অ্যাপোলো হাসপাতালে। করোনামুক্ত হয়ে মুকুল রায় হাসপাতাল ছেড়ে বাড়ি ফিরেছেন। তিনি এখন সুস্থ। তবে চিকিৎসকরা তাঁকে সতর্ক থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন। তবে সংকট কাটেনি মুকুল রায়ের স্ত্রী কৃষ্ণা রায়ের। হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন তিনি।

গত কয়েকদিনে তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়। সর্বক্ষণ কৃষ্ণাদেবীকে কড়া পর্যবেক্ষণে রেখেছেন চিকিৎসকরা। এদিকে, স্ত্রী গুরুতর অসুস্থ থাকায় গভীর উদ্বেগে স্বামী মুকুল রায়। পুত্র শুভ্রাংশু রায়ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। ‘মা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরুক, এটাই চাইছি’, বারবার একথা বলছেন শুভ্রাংশু (Subhranshu Roy) । কৃষ্ণা রায়ের ফুসফুস ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই অবস্থায় কৃষ্ণাদেবীর ফুসফুস প্রতিস্থাপন করার পরিকল্পনা করেন চিকিৎসকরা।

এদিকে, চেন্নাই থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের দল এসেছিলেন কলকাতায়। তাঁরা মুকুল রায়ের স্ত্রী কৃষ্ণা রায়ের শারীরিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন। আপাতত একমো সাপোর্টে রাখা হয়েছে কৃষ্ণা রায়কে। তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি সংকটজনক বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

শারীরিক পরিস্থিতি সংকটজনক থাকার জেরে এখনই কৃষ্ণা রায়কে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে করে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া বেশ ঝুঁকির হতে পারে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। তবে কৃষ্ণা রায়ের ফুসফুস প্রতিস্থাপন করার পরিকল্পনা করেছিলেন চিকিৎসকরা। ইতিমধ্যেই ফুসফুস প্রতিস্থাপনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন চিকিৎসকরা। কথা হয়ে গিয়েছে পরিবারের সঙ্গেও। এই মহূর্ত ব্রেন ডেথ হয়ে যাওয়া এমন ফুসফুসদাতার খোঁজ চলছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.