সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় : পশ্চিমবঙ্গ আজ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এবিভিপির অভিযোগ, প্রশাসনিক ব্যর্থতার কারণে লকডাউনকেও সঠিকভাবে প্রয়োগ করা যায়নি রাজ্যে। এমতাবস্থায় ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষা ১৬ জুলাই থেকে নির্ধারণ করেছে রাজ্যে সরকার। আর এই কোভিড-১৯ আবহে যদি পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা দিতে হয় তাহলে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সংক্রমনের আশঙ্কা অনেকটাই বেশি হবে। তাই পরীক্ষা স্থগিতের দাবী জানাচ্ছে তারা।

এবিভিপি’ প্রশ্ন তুলছে, এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে ছাত্রছাত্রীরা কিভাবে যাতায়াত করবে সেই নিয়েও একটা প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। কারণ অনেক ছাত্রছাত্রী পশ্চিমবঙ্গের বাইরে থাকে এবং সেক্ষেত্রে তারা কিভাবে পরীক্ষা কেন্দ্রে আসবে ? এছাড়াও রাজ্যের সমস্ত স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটির পরীক্ষা যেখানে বন্ধ সেখানে কিভাবে ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ ইউনিভার্সিটি এই মুহূর্তে পরীক্ষা ঠিক করে? তাদের দাবী, ‘এইরকম দ্বিচারিতার স্বরূপ দেখে মনে হচ্ছে যেন একটা পরিকল্পনা বিহীন সরকার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো চলছে।’ তাই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাদের স্পষ্ট দাবী , ‘সাময়িকভাবে পরীক্ষা স্থগিত রেখে যথাসময়ে সঠিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে ছাত্রছাত্রীদের গুণগতমান নির্ণয় করা হোক।’

গত ২৪ ঘণ্টায় মারণ ভাইরাসের কবলে পড়েছেন ৭৪৩। যা অন্যান্য দিনের সমস্ত রেকর্ডকে ভেঙে দিয়েছে।এ নিয়ে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১,২৩১। গত চব্বিশ ঘণ্টায় করোনায় সংক্রমিত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনা প্রাণ নিয়েছে ৭৩৬ জনের। তবে বেড়েছে সুস্থতার হারও। ৪ জুলাই অনুযায়ী সুস্থতার হার ৬৬.৭২ শতাংশ। এখনও পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ১৪,১৬৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫৯৫।

যে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, এদের মধ্যে কলকাতারই ৮ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনার ৩ জন৷ হাওড়ার ৩ জন৷ পশ্চিম বর্ধমান ২ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ১ জন৷ পশ্চিম মেদিনীপুর ১ জন৷ মালদার ১ জন৷ বাংলায় নতুন করে টেস্ট হয়েছে ১১০১৮টি৷ তবেএই পর্যন্ত মোট টেস্ট হয়েছে ৫ লক্ষ ৩০ হাজার ৭২ জনের৷ প্রতি মিলিয়নে টেস্ট ৫৮৯০ জন৷ যা শতাংশের হিসেবে ৪.০১ শতাংশ৷ এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৫১টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ১টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ