নয়াদিল্লি: ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা খুব একটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়নি এখনও। ৬০০০ পেরিয়ে গিয়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। মৃতের সংখ্যা প্রায় ২০০। কিন্তু দেশ জুড়ে একটাই প্রশ্ন লকডাউন উঠবে কবে?

লকডউন নিয়ে চলছে জোর জল্পনা। শনিবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকও করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার আগে আরও একবার লকডাউন বাড়ানোর ইঙ্গিত দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন।

শুক্রবার তিনি একটা হিসেব দিয়ে বলেন, বিভিন্ন রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে দেখা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই সেইসব রাজ্যগুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এমনকি বিভিন্ন জেলাকে চিহ্নিত করে সিল করেও দেওয়া হয়েছে। তবে সবকিছু ঠিক হতে আরও সময় লাগবে বলে জানালেন তিনি।

আমরা লকডাউনের তৃতীয় সপ্তাহে এসে পড়েছি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগেই বলেছিলেন যে ২১ দিন অর্থাৎ তিন সপ্তাহের জন্য লকডাউন জারি করা হচ্ছে। সুতরাং ১৪ এপ্রিল শেষ হয়ে যাচ্ছে সেই লকডাউন। কিন্তু লকডাউনের সময়সীমা আরও বাড়ানো হবে কিনা, তা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন।

এদিন তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের অভিজ্ঞতা বলছে, সব সংক্রমণের সংখ্যা কমতে ৫-৬ সপ্তাহ লাগে। সুতরাং স্পষ্টভাবে না বললেও লকডাউন বাড়ানোর ইঙ্গিতই দিলেন তিনি।

ইতিমধ্যেই ওড়িশা সরকার রাজ্যে লকডাউন বাড়িয়ে ৩০ এপ্রিল অবধি করেছে। কেন্দ্রের নির্দেশে সারা দেশও হয়তো সেই রাস্তায় হাঁটতে পারে। তবে লকডাউনের ক্ষেত্রে কিছুটা শিথিলতাও আসতে পারে। হয়তো লোকজনের যাতায়াত কিছুটা সীমাবদ্ধ করা হবে। হতে পারেবেশ কিছু যান চলাচলের ক্ষেত্রে ছাড় মিলবে। তবে রেল পরিষেবা চালু হবে কিনা, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে।

অন্যদিকে স্কুল-কলেজ, বা ধর্মীয় উপাসনা স্থল এখন না খোলার সম্ভাবনাই বেশি। যে সকল জায়গায় প্রচুড় ভিড় হয়, সেই এলাকাগুলিতে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা থাকতে পারে। আরবিআই জানিয়েছে, লকডাউনের জেরে ভেঙে পড়েছে দেশের অর্থনীতি। এমন অবস্থায় দেশীয় অর্থনৈতিক পরিকাঠামো ঠিক করতে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিৎ কেন্দ্রের।