নয়াদিল্লি: স্বাস্থ্য সচেতন হোক দেশের বিভিন্ন রাজ্য। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি ও প্রকাশ্যে থুথু ফেলা নিষিদ্ধ করা হোক। এমনই মত কেন্দ্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধনের। শুক্রবার দেশের বিভিন্ন রাজ্যের সরকারকে তিনি অনুরোধ করেন, যেন এই বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হয়। করোনা ভাইরাস দূর করতে এই পদক্ষেনেয়া অত্যন্ত জরুরি বলে জানান তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ করেছে ঝাড়খন্ড ও রাজস্থান সরকার। এই রাজ্যগুটিতে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে তামাক জাত দ্রব্য ও প্রকাশ্যে থুথু ফেলার মতো অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসগুলিকে। বিভিন্ন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের চিঠি লিখে এই বিষয়ে পদক্ষেপ করতে অনুরোধ করেছেন হর্ষ বর্ধন।

এদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, তামাক ছাড়াও বিভিন্ন পান মশলা রয়েছে, যা খেয়ে মানুষ রাস্তাতেই থুথু ফেলেন। অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর এই অভ্যাস। এতে করোনা ভাইরাস ছড়ানোর প্রভূত সম্ভাবনা থাকে। এগুলো বন্ধ করা দরকার। এজন্য এগিয়ে আসতে হবে দেশের রাজ্যসরকার গুলিকে।

শুধু কোভিড-১৯ ই নয়, এই ধরণের অভ্যাস থেকে সোয়াইন ফ্লু, যক্ষ্মা, এনসেফেলাইটিসের মতো রোগ হয় বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এছাড়াও, পানের দোকান বা বিড়ি সিগারেটের দোকানের সামনে ভিড় হয় বেশি, সেই জমায়েতেও ছড়াতে পারে করোনা ভাইরাস।

এদিকে, দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। পাল্লা দিয়ে চলছে মৃত্যুমিছিলও। শেষ ২৪ ঘন্টায় ফের ১০০ করোনা মৃত্যুর সাক্ষী দেশ। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯৬৭ জন।

নতুন করে আক্রান্ত ও মৃতের হিসেব ধরে দেশজুড়ে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৮১ হাজার ৯৭০ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৭ হাজার ৯২০ জন। মৃত্যু হয়েছে ২৬৪৯ জনের। স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে এখবর মিলেছে। দেশের মধ্যে এখনও মহারাষ্ট্রেই করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এরপর এই তালিকায় রয়েছে গুজরাত।

অন্যদিকে হিসেব বলছে আক্রান্তের বিচারে চিনকেও ছাড়িয়ে যেতে চলেছে ভারত। চিনে মোট আক্রান্ত যেখানে ৮২ হাজার ৯২৯ জন। সেখানে ভারতে পেরিয়ে গেল ৮১ হাজারের গণ্ডি।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।