তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া : মারণ ভাইরাসের সংক্রমণের থাবায় ত্রস্ত বিশ্ববাসী। এদেশেও পড়েছে তার প্রভাব। ফলে এবার করোনার কাঁটা থেকে বাঁচতে  রেল, পুলিশ ও প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে নিল। বাইরে থেকে আগত সকল রেল যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হলো।

রবিবার রাতে ২২৬০৬ ভিল্লুপুরম-পুরুলিয়া সুপার ফার্স্ট এক্সপ্রেসে ১৫৩ জন যাত্রী বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর স্টেশনে নামেন। তাদের প্রত্যেককেই স্থানীয় সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া যায়। সেখানে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর অন্তত ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

যদিও এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ একাংশের যাত্রী। তাদের কোনও ধরণের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়নি, একটি ফর্ম পূরণ ও জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। মহারাষ্ট্র থেকে ওই ট্রেনে আসা জয়পুরের বৈতল এলাকার অরবিন্দ ঘোষ বলেন, হাসপাতালে কোনও ধরণের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়নি। জিজ্ঞাসাবাদ ও দু’টো ফর্ম পূরণ করেই ছেড়ে দেওয়া হলো। এই ঘটনা শুধু তার সঙ্গে নয়, তার সব সহযাত্রীদের সঙ্গেই হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

একই অভিযোগ করেন পণ্ডিচেরী থেকে ফেরা রিম্পা মণ্ডল। তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদ ও ফর্মপূরণের পর কোনও ধরণের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

রাতে স্টেশন চত্বরে  দাঁড়িয়ে পুরো বিষয়টি তদারকি করেন বিষ্ণুপুরের মহকুমাশাসক মানস মণ্ডল। তিনি বলেন, এই ট্রেনে আসা প্রত্যেককেই আমরা হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি। কারও শারীরিক সমস্যা থাকলে তবেই তাদের ভর্তি রাখা হবে। বাকি আগামী ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব