ভালো থাকার জন্যই আমাদের সকল জীবন সংগ্রাম। কিন্তু বর্তমানে বয়স বাড়ার সাথে নানা রকম শারীরিক সমস্যা শরীরে দানা বাধে। সুস্বাস্থ্য রক্ষার জন্য খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন এক অন্যতম কার্যকরী পদক্ষেপ। বিশেষজ্ঞরা বলেন রোজকার খাওয়া দাওয়াতে ছোট ছোট পরিবর্তন শারীরিক স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে। প্রতিদিন ব্রেকফাস্টে ওটস খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো। দিনের শুরু যদি ওটস দিয়ে হয় এবং সেটা যদি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে তবে সেটা স্বাস্থ্য রক্ষায় ভালো পদক্ষেপ। ওটস খেতে সুস্বাদু না হলেও ওটস এ থাকে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ওটস ওজন কমাতেও সাহায্য করে। আসুন আরও বিস্তারিত জেনেনি ওটসের অন্য স্বাস্থ্যগত গুণাগুণ

১. পুষ্টিগুণ সম্বৃদ্ধ: ওটস পুষ্টিগুণ সম্বৃদ্ধ। ওটস এর মধ্যে থাকে প্রোটিন ও ফাইবার। এছাড়াও এতে ম্যাঙ্গানিজ, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম, কপার, আইরন, জিঙ্ক, ফোলেট, ভিটামিন বি১ ও ভিটামিন বি৫ থাকে। এবং অল্প পরিমাণে ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম ও ভিটামিন বি৩ থাকে।

২. ফাইবার সম্বৃদ্ধ: ওটস এর মধ্যে বিটা গ্লুকান নামক ফাইবার থাকে। এই ফাইবার কোলেস্টেরল লেভেল কমায়, রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়। স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়ার উৎপাদনে এই ফাইবার সাহায্য করে যা আমাদের হজম শক্তিকে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

৩. হার্টের জন্য উপকারী: ওটস হার্টের জন্য ভীষণ উপকারী। সমগ্র পৃথিবীতে প্রচুর লোক হার্টের অসুখে মারা যান। যার অন্যতম প্রধান কারণ উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে ওটস এর মধ্যে যে বিটা গ্লুকন নামের যে ফাইবার থেকে সেটা আমাদের শরীরের কোলেস্টরলের মাত্রা কমায়। যার ফলে হার্ট ভালো থাকে।

৪. ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে: টাইপ ২ ডায়াবেটিস এই সময়ে খুবই পরিচিত একটি রোগ। মূলত যাঁদের বেশি ওজন তাদের মধ্যে এই রোগের প্রভাব দেখা যায়। ইনসুলিন নামক হরমোনের কম নিঃসরণের ফলে এই রোগ বৃদ্ধি পায়। ওটস ইনসুলিন নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং ব্লাড সুগার লেভেল কমায়।

৫. পেট পরিষ্কার রাখে: বয়স বাড়ার সঙ্গে বয়স্ক লোকেরা কোষ্ঠকাঠিন্য জনিত সমস্যায় ভোগেন। অন্ত্রের কার্যকলাপ এর সমস্যার জন্যই মূলত এই ঘটনা ঘটে। ওটস খেলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.