আমদাবাদ: পন্তের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সৌরভ৷ দেশের মাটিতে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি করে চতুর্থ টেস্টে টিম ইন্ডিয়াকে চালকের আসনে বসিয়ে দিয়েছে ঋষভ পন্ত। চাপের মুখে ফের ভারতের এই তরুণ তুর্কির ব্যাটিং দেখে মুগ্ধ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটেই সর্বকালের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার হয়ে উঠবে পন্ত। এমনই অভিমত প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক বিসিসিআই প্রেসিডেন্টের৷

শুক্রবার মোতেরায় পন্তের দুরন্ত সেঞ্চুরির সাক্ষী থেকেছে ক্রিকেটবিশ্ব৷ সিরিজের মরণবাঁচন টেস্টে খেলতে নেমে ভারতকে একসময় চাপে ফেলেছিল ইংল্যান্ড। সেখান থেকেই পন্তের ব্যাটে ভর করে ঘুরে দাঁড়িয়েছে টিম কোহলি। নিজের তৃতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি করার পথে ১১৮ বলে ১০১ রান করেন পন্ত৷ সেঞ্চুরি পর জেমস অ্যান্ডারসনের বলে ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুটের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ভারতীয় এই তরুণ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান৷

পন্তের সেঞ্চুরি দেখা পর টুইটারে সৌরভ লিখলেন, ‘ছেলেটা কতটা ভালো? অবিশ্বাস্য। চাপের মুখে কী দুর্দান্ত একটা ইনিংস। এই প্রথমবার নয় এবং নিশ্চিতভাবে এটা শেষবারের জন্যও নয়। আসছে বছরগুলোতে ও নিজেকে অলটাইম গ্রেট করে তুলবে। এই আগ্রাসন নিয়েই ব্যাটিং করে যাও। এই জন্যই ও ম্যাচ উইনার এবং স্পেশাল।’

৮০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ভারত বিপাকে পড়ে যাওয়ার পর ক্রিজে এদিন আবির্ভাব হয় পন্তের। একসময় ভারত ১৪৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়েছিল। সেখান থেকে পন্তের সেঞ্চুরি এবং ওয়াশিংটন সুন্দরের হাফ-সেঞ্চুরিতে ভারত দিনের শেষে ৮৯ রানের লিড নেয়৷ কয়েকমাস আগেই পন্তের জাতীয় দলে তিন ফরম্যাটেই প্রথম একাদশে জায়গা হারিয়েছিলেন। অস্ট্রেলিয়া সফরেও প্রথম টেস্টের দলে জায়গা হয়নি দিল্লির এই তরুণ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যানের৷ তবে দ্বিতীয় টেস্টে সুযোগ পাওয়ার পর আর ফিরে তাকাতে হয়নি পন্তকে।

ব্রিসবেনের গাব্বায় দুরন্ত ইনিংস খেলে দলকে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ের স্বাদ দিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়া সফরের পরেই ইংল্যান্ড সিরিজেও টেস্টের প্রথম অটোমেটিক চয়েস ছিলেন পন্ত৷ সুযোগ কাজে লাগাতে ভোলেননি টিম ইন্ডিয়ার এই তরুণ তুর্কি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.