রাজকোট: রাহুল দ্রাবিড়ের অবদান ক্রিকেটজীবনে ভাষায় প্রকাশ করার নয়। ‘দ্য ওয়ালে’র কাছে সারাজীবন তিনি কৃতজ্ঞ থাকবেন ক্রিকেট থেকে দূরে থাকার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করানোর জন্য। জানালেন জাতীয় টেস্ট দলে মিডল অর্ডারের স্তম্ভ চেতেশ্বর পূজারা।

ব্যাটিং স্টাইলের পাশপাশি বাইশ গজে মানসিক দৃঢ়তার সাদৃশ্যের কারণে কেরিয়ারে বহুবার রাহিল দ্রাবিড়ের সঙ্গে তুলনা হয়েছে সৌরাষ্ট্র ব্যাটসম্যানের। দ্রাবিড় পরবর্তী ভারতীয় টেস্ট দলে মিডল অর্ডারে পূজারাকেই স্তম্ভ হিসেবে দেখেছেন বিশেষজ্ঞরা। আর পূজারা বলছেন, দ্রাবিড়ের কাছ থেকেই তিনি শিখেছেন কীভাবে পেশাদার জীবন আর ব্যক্তিগত জীবন আলাদা করতে হয়। আর সে কারণেই তিনি সারাজীবন কৃতজ্ঞ থাকবেন তাঁর কাছে। পূজারা বলছেন, ‘উনি আমায় ক্রিকেট থেকে দূরে থাকার গুরুত্ব উপলব্ধি করতে শিখিয়েছেন। আমার মনেও অনেকটা একই ধারণা ছিল। কিন্তু উনার সঙ্গে কথা বলার পর আমি ব্যাপারটা সম্পর্কে আর নিশ্চিত হই।

কাউন্টি খেলার সময় আমি দেখেছি কীভাবে ওরা পেশাদার জীবন আর ব্যক্তিগত জীবন আলাদা রাখে। তাই রাহুল দ্রাবিড়ের উপদেশ আমার কাছে মহা মূল্যবান। অনেকে আমায় ফোকাসড হতে বলেছে। আমি ফোকাস থাকিও। তবে আমি জানি কখন একটু ছুটি নিতে হয়। জীবনে ক্রিকেটের ঊর্দ্ধেও অনেককিছু আছে।’ তাই পূজারা বলছেন, ‘আমি সহজে বলে বোঝাতে পারব না রাহুল ভাই আমার জীবনে কী। উনি সবসময় আমার অনুপ্রেরণা হয়ে ছিলেন এবং আগামীতেও থাকবেন।’

আর দ্রাবিড়ের সঙ্গে তাঁর সাদৃশ্যের প্রসঙ্গে সৌরাষ্ট্র ব্যাটসম্যান বলছেন, ‘আমাদের খেলার ধরনে সাদৃশ্য আছে ঠিকই। কিন্তু সেটা তাঁর প্রতি আমার অনুরাগের কারণ নয়। সৌরাষ্ট্রের হয়ে খেলার সময় অভিজ্ঞতার মাধ্যমেই আমি তাঁর প্রতি অনুরাগী হই। আমি বুঝতে পারি যে আমার শতরান দলের জন্য যথেষ্ট নাও হতে পারে। আমাকে আমার দলের দায়িত্ব কাঁধে নিতে হবে। এভাবেই আমি দলের প্রতি দায়িত্ববোধ সম্পর্কে সচেতন হই। বুঝতে শিখি যে দলকে বড় রান স্কোরবোর্ডে তোলার জন্য সাহায্য করাটাই আসল উদ্দেশ্য হওয়া উচিৎ। সৌরাষ্ট্রের হয়ে জুনিয়র ক্রিকেট খেলার সময় আমি বিষয়গুলো উপলব্ধি করি। তখন ঘরোয়া ক্রিকেটে সৌরাষ্ট্র অনেক দুর্বল শক্তি।’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ