ফাইল ছবি

জয়পুর: বিমানবন্দর থেকে সোনা পাচারের জন্য কত কায়দা বা কৌশলই না রপ্ত করে থাকে পাচারকারীরা৷ এবার নিজের মলদ্বারে সোনা ঢুকিয়ে পাচারের ফন্দি আঁটে পাচারকারী৷ কিন্তু শেষরক্ষা হল না৷ বিমানবন্দরের শুল্ক দফতরের আধিকারিকদের কাছে ধরা পড়ে যেতেই হল পাচারকারীকে৷

জয়পুর আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর থেকে সোনা পাচারের অভিযোগে রবিবার রাতে শুল্ক দফতরের আধিকারিকরা পঙ্কজ সাদুওয়ানি নামে এক পাচারকারীকে গ্রেফতার করে৷ থাই এয়ারওয়েজের বিমানে জয়পুর আসে সে৷ পঙ্কজের সন্দেহজনক আচরণ নজরে আসে বিমানবন্দরের শুল্ক দফতরের আধিকারিকদের৷ তাকে হেফাজতে নেওয়ার পর জেরা করা হয়৷ শুল্ক আধিকারিকদের জেরার মুখে ভেঙে পড়ে সে৷ মলদ্বারে করে সোনা পাচারের কথা স্বীকার করে নেয়৷

ফাইল ছবি৷

পরে শুল্ক আধিকারিকরা জানান, পঙ্কজের মলদ্বার থেকে ছ’টি সোনার টুকরো উদ্ধার হয়েছে৷ যার ওজন এক কেজি৷ সেই সোনা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং পঙ্কজকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, পঙ্কজ চোরাচালানকারী দলের সদস্য৷ এদের মোডাস অপারেন্ডি হল, বিমানবন্দরের বাইরে এক পাচারকারীকে অপেক্ষা করতে বলা হয়৷ যে সোনা পাচার করে নিয়ে আসছে তার ছবি অপেক্ষারত পাচারকারীকে দেওয়া থাকে৷ সেই ছবি থেকে পাচারকারীকে চিনে তার কাছ থেকে পাচার সামগ্রী সংগ্রহ করে৷

শরীরের ভেতর লুকিয়ে সোনা বা মাদক পাচারের ঘটনা নতুন নয়৷ এর আগে জরায়ুতে করে মাদক পাচারের অভিযোগে ৯ জুলাই এক মহিলাকে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো(এনসিবি)৷ জেরার মুখে তিনি জানান, তার শরীরের বেশ কিছু জায়গায় মাদক লুকানো আছে৷ ওই মহিলাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ সেখানে এক্সরেতে ধরা পড়ে ওই মহিলার তলপেটে জরায়ুর কাছে কিছু একটা লুকানো আছে৷ এ ছাড়া তার শরীরের গোপন অংশ থেকে ১২ গ্রাম কোকেন উদ্ধার করা হয়েছে৷ তার ব্যাগ থেকে এলএসডি পাওয়া গিয়েছে৷ ১১ জুলাই মলদ্বারে করে সোনা পাচার করতে গিয়ে কলকাতা বিমানবন্দরে ধরে পড়ে এক ব্যক্তি৷ ধৃতের কাছ থেকে আটটি সোনার বাট পাওয়া যায়৷ যার ওজন প্রায় ৮০০ গ্রাম৷ আনুমানিক মূল্য ২৫ লক্ষ টাকা৷