কলকাতা: সামনেই বিধানসভা ভোট৷ এবার ‘করোনা যোদ্ধা’র (Covid Warrior) মর্যাদা পাবেন ভোটকর্মীরাও (Polling Wokers)। ফলে বাংলার ভোটকর্মীদের টিকা দেওয়ার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)।

রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন,‘পোলিং অফিসারদের( polling workers)নাম পেলেই টিকাকরণের ব্যবস্থা করা হবে৷’ ভোটের সময় রাজ্যে প্রায় সাড়ে চার লক্ষ সরকারি কর্মী ভোটের কাজে যুক্ত থাকেন৷

কমিশন সূত্রে খবর, কোভিডের কারণে এবার রাজ্যে বুথের সংখ্যা ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত নির্বাচনের সময় একতলায় ছিল, এমন ২৯৫০টি বুথকে নিচের তলায় নামিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে কলকাতার পর বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের (Bidhannagar police) পুলিশ অফিসার এবং কর্মীদের করোনা প্রতিষেধক টিকাকরণের (corona vaccine)প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কমিশনারেটের সমস্ত অফিসার-কর্মীদের টিকাকরণের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।

বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট জানিয়েছিল, প্রথম দিনেই টিকা নিয়েছিলেন DCP HQ,সূর্য প্রতাপ যাদব, DCP বিধাননগর উমেশ গণপত, ACP North শান্তনু কোয়ার এবং অন্যান্যরা।

অন্যদিকে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের কাজে কোনওভাবেই গ্রিন পুলিশ, সিভিক ভলান্টিয়ারদের ব্যবহার করা যাবে না৷ রাজ্য সফরে এসে জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন৷

আসন্ন বিধানসবা নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে তৎপর কমিশন।এব্যাপারে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিচ্ছে কমিশন। রাজ্যের পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে ইতিমধ্যেই বৈঠক করেছেন কমিশনের কর্তারা। ‘‘বিধানসভা ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে সব কাজ করতে হবে রাজ্য পুলিশকে।’’ পুলিশকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে একথা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা।

পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আশ্বাস মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরার। তিনদিনের রাজ্য সফরে এসেছিল নির্বাচন কমিশনের ফুল-বেঞ্চ। দফায়-দফায় রাজ্যের প্রশাসন, পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক সেরেছেন কমিশনের কর্তারা। কমিশনের কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিদেরও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরাকে রাজনৈতিক দলগুলি একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছে। সব অভিযোগ মন দিয়ে শুনেছেন কমিশনের কর্তারা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.