স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: এসএসসি-র মাধ্যমে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণার মামলায় এখনই সৌমিত্র খাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। সোমবার নির্দেশ দিল হাইকোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ। তবে এখনই বাঁকুড়ায় ঢুকতে পারবেন না সৌমিত্র খাঁ, এদিন তাও স্পষ্ট করে দেয় আদালত।

সম্প্রতি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন সৌমিত্র খাঁ। চলতি বছরের প্রথম দিকেই একটি বিস্ফোরক অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে তাঁর বিরুদ্ধে বড়জোড়া থানায় প্রতারণার অভিযোগ দায়ের হয়। সম্পর্কে সৌমিত্রর পিসতুতো ভাই প্রশান্ত মণ্ডল নামে এক ব্যক্তি ‘দাদা’র বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

তাঁর অভিযোগ, ‘দাদা’ সৌমিত্র, পিসতুতো ভাই প্রশান্ত মণ্ডলকে চাকরি দেওয়ার নাম করে তাঁর কাছ থেকে মোটা টাকা নেন। স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে শিক্ষকতার চাকরি দেওয়া হবে বলে ওই যুবককে আশ্বাস দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। কিন্তু, দু’বছর কেটে গেলেও চাকরি পাননি প্রশান্ত। টাকাও ফেরত পাননি বলে অভিযোগ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।