কথাতেই আছে ভেতো বাঙালি৷ মানে ভাত ছাড়া বাঙালি চলতে পারে না৷ এক বেলা ভাত খেতে না পারলে সারাদিনটা পুরো নষ্ট৷ ঘুরতে গিয়ে দুপুরে হোটেলে ভাত খোঁজা৷ এ যেন বাঙালির স্বভাব৷

কিন্তু এখন অনেকেই রুটিটাকে ভাতের পাশে প্রাধান্য দেন৷ কারণ আটায় থাকে বিভিন্ন পুষ্টিকর উপাদান৷ যা হার্টঅ্যাটাকের সম্ভাবনা অনেকটাই কমিয়ে দেয়৷ এছাড়াও শরীরকে অনেক সতেজ ও সুস্থ রাখে৷

মুলত রুটি বেশি প্রাধান্য পায় উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব, হরিয়ানাতে৷ কিন্তু এখনও বাঙালিরাও রাতে ভাতের থেকে বেশি রুটিটাই পছন্দ করে৷ পছন্দদের কোনও তরকারীর সঙ্গে রাতে রুটি খাওয়াটা জমে যায়৷ কিন্তু আপনি কী জানেন এই রুটি উপকারী না অপকারী৷

রুটিতে ক্যালোরির পরিমাণ খুবই কম৷ তাই রুটি খেলে শরীরের ওজন বৃদ্ধি হয় না৷ শরীরকে ফিট রাখে৷ তাই ডিনারে রুটি রাখা ভালো৷ যারা একেবারেই রুটি খেতে পারেন না৷ তাদের বিষয়টি আলাদা৷ তবে চেষ্টা করলে আপনিও রাতে রুটি খেতে পারবেন৷

রুটিতে যেহেতু ফ্যাট থাকে না৷ তাই রুটি খেলে ফ্যাট অর্থাৎ চর্বির আধিক্য হওয়ার সম্ভাবনা কমে৷

রুটিতে গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স নামক উপাদান কম থাকায় রক্তে সুগারের মাত্রা ঠিক রাখে৷ যা ডাইবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে খুবই উপকার৷ তাই অবশ্যই সুগারের রোগীরা রাতের মেনুতে রুটি রাখুন৷

শরীর গঠনে যে সকল ভিটামিন ও খনিজের দরকার হয় তার সিংহভাগ রুটিতে থাকে৷ তাই রোজ রাতে রুটি খেলে সেগুলি শরীরে সহজেই প্রবেশ করতে পারে৷

রাতে নিয়মিত রুটি খেলে রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রন, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকের মতো মারাত্মক রোগের আশঙ্কা কম থাকে৷

রুটিতে থাকে ফাইবার৷ যা আমাদের শরীরের হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়৷ ফলে বদ হজম, গ্যাস, অম্বল, বুক জ্বালার মতো শারিরীক সমস্যা থেকে খুব সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়৷

তাই আর বেশি চিন্তা না করে রাতের মেনুতে নিয়ে আসুন রুটি৷ আর সুস্থ থাকুন৷