স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: টাকার বিনিময়ে চলছে বিজেপিতে যোগদান৷ যা গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক৷ অভিযোগ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের৷ যা নিয়ে শাসক দলের নেত্রীকে খোঁচা দিতে ছাড়লেন না বাম পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী৷

রবিবার সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘‘উনি বার বার টাকা নিয়ে বিজেপিতে যোগ দানের অভিযোগ করছেন৷ তাহলে কী ওনার আমলে যেসব দল বদল হয়েছে সেগুলি টাকার বিনিময়েই হয়েছিল?’’ যদি টাকাই মুখ্য আকর্ষণ হয় তবে তা স্বীকার করন মুখ্যমন্ত্রী৷ তবে তাঁর আবেদন, রাজনীতিতে ঘোড়া কেনাবেচা হলে ব্যবস্থা নিক রাজ্য প্রশাসন৷

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ‘‘বিজেপিকে রুখতে নীতি নৈতিকতার কথা তুলে ধরছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ কিন্তু, তাঁর সময়ই বিরোধী দল থেকে একাধিক নেতা, বিধায়ক বা স্থানীয় প্রশাসনিক পদে থেকে যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে৷ যা এখন বিরোধীদের হাতিয়ার৷ সেই বিষয়টিকেই ঢাকতে অর্থকে পুঁজি করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো৷

অন্য রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকদের সমহারে বেতনের দাবি করে অনশন আন্দোলনে প্রাথমিক শিক্ষকদের একাংশ৷ সঙ্গে দাবি, তাদের সংগঠনের ১৪ জন বদলি হওয়া শিক্ষকদের নির্দেশিকা প্রত্যাহার করা হোক৷ ২১শের মঞ্চে শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধির দাবি মানা যে সম্ভব নয় তা স্পষ্ট করে দেন মুখ্যমন্ত্রী৷ বলেন, ‘‘সব রাজ্যেরই নির্দিষ্ট নিয়ম থাকে৷ তাতেই খুশি থাকতে হবে৷ বেশি দাবি থাকলে কেন্দ্রীয় চাকরি করুন৷ আমাদের এতে সুবিধে হবে৷’’

এ প্রসঙ্গে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর প্রতিক্রিয়া, ‘‘অন্দালনকারী শিক্ষকরা বেশি বেতন চাইছেন না, কেন্দ্রীয় হারেও বেতন চাইছেন৷ অন্য রাজ্যের গ্রেড অনুযায়ী সমহারে বেতনের দাবি করছেন৷ এতে অন্যায়ের তো কিছু নেই৷’’ তাঁর দাবি, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী বিষয়টি ভোলে করে না বুঝেই এই কাজ করেছেন৷’’