নয়াদিল্লি: নতুন বছরের প্রথম সকালে দেশবাসিকে টুইট করে শুভেচ্ছা বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দ্বিতীয় বারের প্রধানমন্ত্রী হয়ে দিল্লির মসনদে বসার পর এটাই মোদীর নতুন বছরের প্রথম সকাল। গত এপ্রিলে লোকসভা নির্বাচনে জনতার রায়ে ফের দ্বিতীয় বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হন তিনি। তাই তিনি নতুন বছরে দেশবাসীর কাছে কল্পতরু রূপে আসতে চেয়েছেন। জনতার মনস্কামনা পূরণ করবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি দেশবাসীর উদ্দেশ্যে জানান, ” খুব ভালো কাটুক ২০২০। নতুন বছর সবার আশা পূর্ণ হোক, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক সবার জীবন। সুস্থ এবং স্বাস্থ্যবান থাকুক সবাই।” এর আগে মঙ্গলবার তিনি দেশবাসীর উদ্দেশ্যে আরও একটি মন্তাজ টুইট করেছিলেন। সেখানে তিনি জানিয়েছিলেন ২০১৯ সালে দেশবাসি কী কী পেয়েছে এবং নতুন বছরের কিকি পেতে চলেছে। এছাড়াও ১৩০ কোটির দেশবাসিকে আগামী দিনে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি।

তাঁর শেয়ার করা মন্তাজে দেখা গিয়েছে, একটি সৈকত বীচের উপর এক মহিলা দৌড়াচ্ছে। অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে লৌহমানব সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের স্ট্যাচু। এদিকে দীর্ঘ পাঁচমাস বন্ধ থাকার পর বছরের প্রথম দিন কাশ্মীরে চালু হয়েছে এসএমএস পরিষেবা। প্রসঙ্গত, গত অগসট মাসে কেন্দ্রীয় সরকার কাশ্মীরের ক্ষেত্রে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে নেয়। এবং জম্মু ও কাশ্মীরকে দুটি আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করার মত ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল।

গোটা বিশ্ববাসীর সঙ্গে সঙ্গে ,বর্ষশেষের রাতে নববর্ষকে বরণ করে নিতে রাত জেগে আতসবাজি এবং নাচগানের আনন্দে মেতেছিল দিল্লির মানুষও। শুধু তাই নয়, মঙ্গলবার রাতে দিল্লির শাহিন বাগে শীতের কামড় সহ্য করেও বহু মানুষ একত্রিত হয়ে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী, ২০১৫ সালের আগে আফগানিস্তান, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান থেকে এদেশে আসা অমুসলিম শরণার্থীরা ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। সমালোচকদের দাবি, এই আইন বৈষম্যমূলক এবং সংবিধানে বর্ণিত দেশের ধর্মনিরপেক্ষ ভাবমূর্তির পরিপন্থী।