স্টাফ রিপোর্টার, বালুরঘাট: মিশন নির্মল বাংলা পুরোপুরি সুনিশ্চিত করতে এবার অভিনব পন্থা নিল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসন।এবার থেকে সরকারি হাসপাতালের রোগীদের কাছে ডাক্তারবাবুরা জানতে চাইবেন,বাড়িতে শৌচাগার আছে তো?

হাসাপাতাল সূত্রে জানা গিযেছে, বহির্বিভাগে চিকিৎসা করাতে আসা রোগী ও তাঁদের বাড়ির লোকেদের কাছ থেকে জানতে চাওয়া হবে বাড়িতে শৌচাগার রয়েছে কি না। যদি না থাকে তাহলে রোগ থেকে মুক্তি লাভে দ্রুত শৌচাগার তৈরীর পরামর্শ দেবেন ডাক্তারবাবুরা। এমনকি ডাক্তারবাবুরা প্রেসক্রিপশনেও তা লিখে দিবেন। শুধু তাই নয় বাড়িতে শৌচাগার নেই এমন রোগীদের নাম ঠিকানা হাসপাতাল থেকেই বিডিও অথবা পঞ্চায়েত অফিসে পৌছেও দেওয়া হবে। জেলাশাসক শরদ কুমার দ্বিবেদী এব্যাপারে মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিক হাসপাতালগুলির সুপার ও বিএমএইচ দের নিয়ে বৈঠকে এমনই নির্দেশিকা জারি করেছেন।

বালুরঘাট জেলা হাসপাতাল গঙ্গারামপুর মহকুমা হাসপাতাল সহ জেলার সমস্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলির বহির্বিভাগে ইতিমধ্যেই চিকিৎসকরা সেখানে আসা রোগীদের যন্ত্রনা শোনার পাশাপাশি বাড়িতে শৌচাগার রয়েছে কি না সেব্যাপারেও জিজ্ঞেসাবাদ শুরু করেছেন। সেই সঙ্গে শৌচাগার তৈরির জন্য প্রেসক্রিপশনে লিখেও দিচ্ছেন। শুধু প্রেসক্রিপশনে লিখে দিয়েই ক্ষ্যান্ত থাকা নয়। খোলা মাঠে মলমূত্রত্যাগ করলে কী কী অসুখ হয় এবং তা থেকে কি ভাবে রোগ জীবাণু ছড়িয়ে পড়ছে তাও বহির্বিভাগে রোগী ও তাঁদের বাড়ির লোকেদের বুঝিয়ে বলছেন ডাক্তারবাবুরা।

বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের সুপার ডাঃ তপন বিশ্বাস জানিয়েছেন, যে ইতিমধ্যেই শৌচাগার রয়েছে কি না রোগীদের কাছ থেকে তা শুনে প্রেসক্রিপশনে তা লিখে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে বহির্বিভাগে।সাধারণ মানুষ সুস্থ থাকতে বিশেষ করে চিকিৎসকদের কথা মেনে চলার চেষ্টা করেন। তাই এবার মিশন নির্মল বাংলাকে সফল করতে জেলাশাসক শরদ কুমার দ্বিবেদীর পরামর্শে সরকারি হাসপাতাল স্বাস্থ্য কেন্দ্রে রোগীদের কাছে চিকিৎসকরা খোঁজ নিচ্ছেন যে তাঁদের বাড়িতে শৌচাগার রয়েছে কি না। যদি না থাকে তাহলে চিকিৎসকরা তাঁদের পরিবারের লোকেদের বোঝাচ্ছেন যে কেন খোলা মাঠে মূলমূত্র ত্যাগ করা উচিত নয়।চিকিতসকরা বাড়িতে শৌচাগার তৈরির কথা প্রেসক্রিপশনেও উল্লেখ করবেন।