কলকাতাঃ  দফায় দফায় উত্তেজনা বিজেপির হেস্টিংসের কার্যালয়ের সামনে। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। আর নির্বাচনের আগে আজ হেস্টিংসে বিজেপির কার্যালয়ে একটি বৈঠকের ডাক দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, শাহের হাত ধরে মেদিনীপুরে সেদিন যারা যোগ দেন তাঁদেরও ডাকা হয় এদিন।

দফায় দফায় উত্তেজনা বিজেপির হেস্টিংসের কার্যালয়ের সামনে। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। আর নির্বাচনের আগে আজ হেস্টিংসে বিজেপির কার্যালয়ে একটি বৈঠকের ডাক দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, শাহের হাত ধরে মেদিনীপুরে সেদিন যারা যোগ দেন তাঁদেরও ডাকা হয় এদিন।

অন্যদিকে, বিজেপির অফিসের ঠিক ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে তৃণমূলের তরফে পালটা বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়। সভা-পালটা সভাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই উত্তেজনা হেস্টিংসে। সকালের ঘটনার পর দুপুরে ফের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

শুভেন্দু অধিকারীর গাড়ি বেরানোর পরেই নতুন করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে তৃণমূল কর্মীরা। শুভেন্দুর নামে চলে স্লোগান। পালটা বিজেপি কর্মীরাও দিতে থাকেন স্লোগান। পরিস্থিতি উত্তেজিত হতেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে বিশাল পুলিশবাহিনী। শুভেন্দুর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরাও পুরো কর্ডন করে নেয় এলাকায়। তাই বড় কিছু অঘটন ঘটার আগেই বেরিয়ে যায় শুভেন্দুর গাড়ি।

উল্লেখ্য, এদিন সকালে শুভেন্দু হেস্টিংসে বিজেপির দফতরে পৌঁছানোর আগেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হেস্টিংসে বিজেপি-র প্রধান নির্বাচনী দফতরে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে তৃণমূল।

যার পাল্টা মাঠে নামে বিজেপি-ও। শনিবার দুপুরে দু’পক্ষের বিক্ষোভ এবং পাল্টা বিক্ষোভে এলাকায় বচসা বেধে যায়। প্রাথমিক ভাবে অবস্থা সামলাতে চেষ্টা করেও পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে পারেনি হেস্টিংস থানার পুলিশ।

কারণ, এমন বিক্ষোভ যে হতে পারে, যদিও তার আগাম কোনও আঁচ ছিল না। দু’পক্ষের ধস্তাধস্তি বেধে যায়। সাংসদ সুনীল মন্ডলকে ঘিরে ধরে চলে ব্যাপক বিক্ষোভ। তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলেও অভিযোগ বিজেপি নেতাদের। সাংসদকে কালো পতাকাও দেখান তৃণমূল কর্মীরা। যদিও কোনও রকমে ওই বিক্ষোভ থেকে সাংসদকে বের করে আনা হয়।

প্রতিক্রিয়ায় সাংসদ সুনীল মণ্ডল জানিয়েছেন, ‘যারা এই কাজ করেছেন তাঁরা আমাকে তৃণমূলে ফিরিয়ে আনার জন্য আমার বাড়িতেই গিয়েছিলেন। এদের সঙ্গে কিছু খারাপ মানুষও ছিলেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার গাড়ির সামনে শুয়ে পড়ে গাড়ি আটকানোর চেষ্টা হয়।’

অন্যদিকে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় জানিয়েছেন, ‘দলের নির্দেশে এই বিক্ষোভ হয়নি। স্বতঃস্ফূর্ত বিক্ষোভ হয়েছে।’ মানুষের ক্ষোভ থেকেই এই বিক্ষোভ বলে জানিয়েছেন সৌগত রায়। তিনি আরও বলেন যে, একটা লোক তৃণমূলের টিকিটে দুবার জিতে পার্টি ছেড়ে দিচ্ছে, এটা লোকে মেনে নিতে পারছে না। দলত্যাগ বিরোধী আইন ভঙ্গ করেছে সুনীল মণ্ডল। পার্টি ওর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।