প্রতীকী ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: শিয়ালদহ স্টেশনে ঢোকার সময় হাসনাবাদ স্পেশাল ট্রেনের দুটি চাকা বেলাইন হয়ে গেল। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন রেলকর্মীরা। ঘটনায় কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। নিয়মিত লাইন রক্ষণাবেক্ষণ সত্ত্বেও ট্রেন প্রায় না চলা অবস্থায় এই দুর্ঘটনা ঘটায় রেলের সুরক্ষার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন খোদ রেলকর্মীরাই।

রেলকর্মী যাত্রীদের অভিযোগ, এক, ওই সময় ট্রেনের গতি কম ছিল এবং দুই, রবিবার হওয়ায় কর্মী সংখ্যাও ছিল কম। সেই কারণেই বড়সড় বিপত্তি এড়ানো গিয়েছে।

শিয়ালদহ ডিভিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন বেলা ১০.০৭ মিনিট নাগাদ রেলকর্মীদের নিয়ে যখন হাসনাবাদ স্পেশ্যাল ট্রেনটি শিয়ালদহ ১২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ঢুকছিল ঠিক তখনই তিন নম্বর বগির দুটি চাকা লাইন থেকে পড়ে যায়। প্রচণ্ড ঝাঁকুনির সঙ্গে শব্দে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন রেলকর্মীরা।

ট্রেন থেকে নেমে যাত্রীরা হইচই শুরু করেন। ছুটে আসে আরপিএফ, জিআরপি। পরে ট্রেনটি তোলার জন্য সচেষ্ট হয় ইঞ্জিনিয়ারিং কর্মীরা।ঘটনার পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন কর্মীরা। বেলাইন হওয়ার কারণ খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা।

লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকে লোকাল ট্রেন পরিষেবা বন্ধ থাকলেও রেলকর্মী, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য রোজ প্রতিটি শাখায় কয়েকটি করে স্পেশ্যাল ট্রেন চালাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। সেই ট্রেনে সাধারণ যাত্রীদের ওঠা নিষেধ।

রেলের তরফে জানানো হয়েছে, স্পেশ্যাল ট্রেনে কোনও পরিস্থিতিতেই সাধারণ যাত্রীরা উঠতে পারবেন না। এই নিয়ে আইনশৃঙ্খলার সমস্যা যাতে না হয় তারজন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন পুলিশকর্তাদের কাছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।