ঢাকা: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহার বাজপেয়ীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার বাজপেয়ীর মৃত্যুর পর, সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শোকবার্তা দিলেন শেখ হাসিনা।

তিনি জানান, বাজপেয়ীর মৃত্যুতে তিনি শোকস্তব্ধ। বাংলাদেশের জন্য এটা অত্যন্ত দুঃখের খবর বলে উল্লেখ করেন তিনি। প্রয়াত বাজপেয়ীর উদ্দেশে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে তিনি বলেন, ”উনি ছিলেন ভারতের একজন বিখ্যাত সন্তান। বাংলাদেশেও উনি বিশেষ সম্মানিত।”

১৯৭১-এ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বাজপেয়ীর বিশেষ অবদানের কথা উল্লেখ করে হাসিনা বলেন, এই অবদানের জন্য তাঁকে বিশেষ সম্মানও দেওয়া হয়েছিল। দক্ষ প্রশাসক এবং মানুষের কথা ভাবার জন্য বাজপেয়ীকে মানুষ মনে রাখবে বলে উল্লেখ করেন হাসিনা।

তিনি আরও বলেন, ”শ্রী অটল বিহারি বাজপেয়ী বাংলাদেশের বিশেষ বন্ধু ছিলেন। ১৯৭১-এর যুদ্ধে তাঁর অবদানের জন্য তাঁকে ”বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার অনার”ও দেওয়া হয়। শোকস্তব্ধ ভারতবাসী ও বাজপেয়ীর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি।

উল্লেখভ, মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে দৃঢ় সমর্থন জানিয়েছিলেন অটলবিহারী বাজপেয়ি৷ সংসদের বিরোধী নেতা হয়েও ভারতের তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সাহসী পদক্ষেপের প্রতি অকুণ্ঠচিত্তে সমর্থন জানিয়েছিলেন৷ শুধু তাই নয়, ইন্দিরা গান্ধী যখন দেশে দেশে গিয়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও ‘বঙ্গবন্ধু’র প্রতি সমর্থন আদায় করছেন, সেই একই সময়ে জনসঙ্ঘের তৎকালীন সভাপতি ও লোকসভার সদস্য হিসাবে দেশে-বিদেশে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে প্রচার চালিয়েছিলেন অটলজি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।