ঢাকা: মঙ্গল শোভাযাত্রা ইলিশ পান্তা খাওয়া ও মিষ্টিমুখ করিয়ে এবার আর বাংলা বর্ষবরণ হবে না বাংলাদেশে। আসন্ন ১৪২৭ বছরটি নীরবেই প্রবেশ করবে পদ্মা-ধানসিড়ি-করোতোয়া নদীর দেশে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রুখতে বর্ষবরণ হবে না জমজমাট করে। এমনই জানিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার সকালে দেশের ৬৪ টি জেলার সব জেলা শাসকদের সঙ্গে আয়োজিত ভিডিও কনফারেন্সে এই ঘোষণা করেন তিনি।

ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন অর্থাৎ গণভবন থেকে এই ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন শেখ হাসিনা।
এদিকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ রুখতে লকডাউন চলছে বাংলাদেশে। আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি অফিসে টানা ১০ দিনের ছুটি।

এসবের মাঝে এসে পড়েছে চলতি ১৪২৬ বাংলা বছর বিদায় ও পয়লা বৈশাখে ১৪২৭ বছরকে বরণের পর্ব। প্রতিবা বাংলাদেশ জুড়ে বাংলা বছর স্বাগত জানানোর বিশেষ অনুষ্ঠান হয়।

বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের পড়ুয়ারা পয়লা বৈশাখ বিভিন্ন মুখোস নিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করেন। সেই সঙ্গে থাকে ছায়ানট আয়োজিত বর্ষবরণের প্রথম প্রভাতি অনুষ্ঠান। দুটি সেই বিপুল জনসমাগম হয়।

এই জন সমাগমে করোনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রবল। যদিও মঙ্গলবার পর্যন্ত ৫ জনের মৃত্যুতেই আটকে করোনা হামলা। তবে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু জানিয়েছে, বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বড় আকার নিতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।