নির্বাচন দোরগোড়ায়৷ চলছে ঘণ্টা মিনিট সেকেন্ড ধরে চরম উত্তেজনা৷ এমন অবস্থায় সরকার বনাম বিরোধীদের দ্বন্দ্বে তোলপাড় বাংলাদেশ৷ সরকারে থাকা দলের অবস্থান নিয়ে চলছে বিশ্লেষণ৷ কলকাতা ২৪x৭ এর পাতায় পদ্মাপারের বাংলাভূমির সরাসরি আওয়াজ আমরা তরুণরা গর্ব করে বলতে পারব, আমরা শেখ হাসিনার সময়ে জন্মেছিলাম…লিখলেন আওয়ামী লীগ নেতা জসিম উদ্দিন আকন্দ রনি

বাংলাদেশে চলমান অগ্রগতির ধারা বহমান রাখতে চাইলে পুনরায় আওয়ামীলীগ-কে ক্ষমতায় দেখতে চায় এদেশের আপামর জনগণ। বিশ্বে রোল মডেল হয়ে উঠার গল্পটা নিছক কোনও গল্প নয়, রীতিমত দিনরাত পরিশ্রম করে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত করতে পেরেছে। একের পর এক উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়ে তা বাস্তবে রূপ দেয়া সহজ ছিল না। সেটি করে দেখিয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার।

খেয়ালের বশে নয়, একেবারে পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে বিশ্লেষণ করেই জনগণের সঠিক পছন্দ বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার। বাংলাদেশের মানুষ আগে যেখানে ঘণ্টায় ঘণ্টায় বিদ্যুতের জন্য হাহাকার করতো এখন আজ লোডশেডিং কি জিনিস মানুষ তা ভুলেই গেছে। ২০০১ সাল থেকে ২০০৮ পর্যন্ত ছেলেমেয়েরা মোমবাতি জ্বালিয়ে খুব কষ্টে পড়াশোনা করতো আর এখন বিদ্যুৎ এর উৎপাদন বেশি হওয়ায় স্বাচ্ছন্দ্যে পড়াশোনা করতে পারছে। কলকারখানা, গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ থাকায় উৎপাদন বেড়েছে কয়েকগুণ।

শিক্ষার হার বেড়েছে গাণিতিক হারে এবং বছরে প্রায় ৪০ কোটি বই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে প্রদান করা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের হাতে যা আগে কেউ কল্পনা করতে পারতো না। বিশ্বে আর কোনও দেশেই এমন বিনামূল্যে এতো বই দেয়ার রেকর্ড নেই। শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা এখন সরাসরি শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মোবাইল একাউন্টে অনলাইন ব্যাংকিং এর মাধ্যমে টাকা পেয়ে যাচ্ছে। কি আশ্চর্য ব্যাপার তাইনা? এমন আশ্চর্যজনক অনেক কাজ বর্তমান সরকার করে যাচ্ছে বলেই জনগণ তাদের পছন্দ করেছে।

টেকনোলজির দিক দিয়েও অনেক বেশি এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। ঘরে বসেই সব কিছু হাতের কাছে পেয়ে যাচ্ছে টেকনোলজির কল্যাণে। মেট্রো রেল, পদ্মা সেতু, আইটি পার্ক, ফোর জি চালু করা, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট চালু করা, সাবমেরিন কেবলের সাথে কালেক্টেড হওয়া সহ তথ্য প্রযুক্তিতে অনন্য উন্নয়ন সাধিত করেছে আওয়ামী লীগ সরকার।

আন্তর্জাতিক ভাবেও বাংলাদেশ এখন অনেক সম্মানের সাথে বিশ্বে বিচরণ করে যাচ্ছে সমানভাবে। কারো সাথে বৈরিতা নয় সকলের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে বিশ্বাসী বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক ভাবে বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি পুরষ্কার প্রাপ্তি বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার গল্পই মনে করিয়ে দেয়। সেটিও এসেছে শেখ হাসিনার হাত ধরেই।

শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগ ব্যবস্থা সহ, মৌলিক চাহিদা পূরনের এক অসাধারণ যুগ রচিত হয়েছে ক্ষমতাসীন দলের হাত ধরে। একটা কারণ অবশ্যই আছে, সেটি আর কারো অজানা নয়, আর তা হলো বাংলার মানুষের একমাত্র আশার বাতিঘর দেশরত্ন শেখ হাসিনা। যে দেশে শেখ হাসিনার মত মমতাময়ী একজন মানুষ আছেন সে দেশকে রুখে দেয়ার সাধ্য কারো নেই। আমরা তরুণরা গর্ব করে বলতে পারবো আমরা শেখ হাসিনার সময়ে জন্মেছিলাম।

লেখকের রাজনৈতিক মন্তব্য তাঁর, এর সঙ্গে কলকাতা ২৪x৭ এর কোনও সম্পর্ক নেই৷