ঢাকা: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে ফোন করে ঘূর্ণিঝড় আমফানের কারণে যে ক্ষতি হয়েছে তার খোঁজ নিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সমবেদনাও জানান তিনি।

শুক্রবার, ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফোন করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে। ফোনেই তিনি খোঁজ খবর নেন প্রতিবেশী ভারতের এই অঙ্গরাজ্যের পরিস্থিতি। দ্রুত এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার, এমনই আশা প্রকাশ করেন শেখ হাসিনা।

সমবেদনা জানানোর জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।

সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় আমফানের তাণ্ডবে পশ্চিমবঙ্গের তিনটি উপকূলীয় জেলা দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর তছনছ। কলকাতা লণ্ডভণ্ড। সব মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ৭০ জনের বেশি মৃত।

আমফান পরে বাংলাদেশে প্রবেশ করে শক্তি হারিয়ে গভীর নিম্নচাপের আকার নেয়। এই সুপার সাইক্লোনের কারণে, বঙ্গোপসাগর লাগোয়া বাংলাদেশের তিনটি বিভাগ বরিশাল, খুলনা, চট্টগ্রামের বিভিন্ন জেলা। উপজেলার জনজীবন বিপর্যস্ত। বিশেষ সমুদ্র তীরবর্তী এলাকাগুলির তথৈবচ অবস্থা।

আমফান হামলায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বাংলাদেশে। প্রচুর ঘরবাড়ি ধংস, ৫১ লক্ষ মানুষ সরাসরি এই সুপার সাইক্লোনের কারণে বিচ্ছিন্ন।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর সূত্রে খবর,আমফান উপকূল পেরিয়ে রাজশাহী পর্যন্ত গিয়েই বিলীন হয়।

অন্যদিকে এই সুপার সাইক্লোনের তাণ্ডবের পর ক্ষতি তুলনামূলক পশ্চিমবঙ্গতেই বেশি। আবহাওয়াবিদ, প্রকৃতি বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সুন্দরবন এবারেও সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি কমিয়ে দিয়েছে। ফলে বিপুল ক্ষতির হাত থেকেবেঁচেছে বাংলাদেশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।