কলকাতা: সম্প্রতি নতুন করে খবরের শিরোনামে আসেন ভারতীয় ক্রিকেটার মহম্মদ শামির স্ত্রী হাসিন জাহান। রাম মন্দিরের ভূমিপূজনে শুভেচ্ছা জানাতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় খুন ও ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয় তাঁকে। এরপরই সংবাদমাধ্যমে মুখ খুললেন তিনি।

‘আজ তক’ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, এরা লজ্জা ও নির্লজ্জতার তফাৎ বোঝে না। মহিলাদের এরা টার্গেট করে। এদের মধ্যে কোনও সভ্যতা বা ভদ্রতা নেই।

তিনি আরও বলেন, তাঁর সম্পর্কে মিডিয়ায় এমন কিছু লেখা হয়েছে, যার জন্য তাঁকে আজও অনেক কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। তবে পশ্চিমবঙ্গে আছেন বলে নিরাপদে আছেন বলে দাবি করেন হাসিন। তাঁর দাবি, উত্তরপ্রদেশে থাকলে তাঁর সঙ্গে কোনও অঘটন ঘটে যেতে পারত। তাঁকে যারা হুমকি দিয়েছে, তাদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।

তিনি এদিন সংবাদমাধ্যমে বলেন, যাঁরা এই ধরনের কমেন্ট করেন, তাঁদেরকে মুসলিম বলতেও আমার লজ্জা করে। এরা মুসলিম নয়। প্রকৃত মুসলিম কখনও এই ধরনের কাজ করতে পারে না। মুখ্যমন্ত্রী মমতার কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন তিনি।

সোশাল মিডিয়ায় খুবই সাদামাটা একটি পোস্ট করেন তিনি। কোনওরকম উসকানি ছাড়াই সব ধর্মাবলম্বীদের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়েছিলেন হাসিন। একইসঙ্গে রাম মন্দির তৈরির জন্য হিন্দু সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষজনকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছিলেন।

এতেই বেজায় চটেছে কট্টরপন্থীরা। একজন মুসলিম মহিলা হয়ে কী করে হাসিন হিন্দুদের রাম মন্দির তৈরির জন্য অভিনন্দন জানালেন তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কট্টরপন্থীরা। অকথ্য গালিগালাজের সঙ্গেই হাসিনকে ধর্ষণ ও খুনের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

এই ঘটনায় রীতিমতো নিরাপত্তহীনতায় ভুগতে শুরু করেছেন হাসিন জাহান। সাহায্য চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কাছে।

সোশাল মিডিয়ায় হাসিন লেখেন, ‘৫ আগস্ট, যখন অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ভূমি পুজো হয়েছিল, আমি দেশের সমগ্র হিন্দু সমাজকে অভিনন্দন জানাই। কারণ, হিন্দু সমাজও মুসলিম সমাজের উত্সবে আমাদের অভিনন্দন জানায়। তবে কিছু উগ্রপন্থী হতাশাগ্রস্ত হয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাকে গালাগালি, খুন এবং ধর্ষণের হুমকি দিয়েছিল।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।