নয়াদিল্লি : রবিবার বিশ্বের প্রথম করোনা ভ্যাকসিনের মানব ট্রায়াল সাফল্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ করার দাবি করে রাশিয়া। সংবাদসংস্থা স্পুটনিককে দেওয়া সাক্ষাতকারে ইনস্টিটিউট ফর ট্রানজাশনাল মেডিসিন অ্যান্ড বায়োটেকনোলজির ডিরেক্টর ভাদিম টারাসোভ জানান, মানব ট্রায়ালের স্বেচ্ছাসেবকদের প্রথম গ্রুপকে বুধবার ছেড়ে দেওয়া হবে। দ্বিতীয় গ্রুপকে ছাড়া হবে ২০শে জুলাই।

১৮ই জুন এই বিশ্ববিদ্যালয় মানব ট্রায়াল শুরু করেছিল। রাশিয়ার গামালেই ইনস্টিটিউট অফ এপিডেমোলজি অ্যান্ড মাইক্রোবায়োলজির তৈরি করা করোনা ভ্যাকসিনের মানব ট্রায়াল শুরু করা হয়। সেই ভ্যাকসিনেই সাফল্য মিলেছে প্রাথমিক পর্যায়ে বলে দাবি করে স্কেনোভ বিশ্ববিদ্যালয়। তবে বাস্তবটা একটু অন্যরকম।

বিশেষজ্ঞরা মোটেও রাশিয়ার এই দাবিকে মানতে রাজী নন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে যে ভ্যাকসিন রাশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করেছে, তা প্রথম পর্যায়ে সফল হয়েছে। এখনও ট্রায়াল বাকি। অন্তত ৩-৪টি ট্রায়ালে সাফল্য না আসলে সেই ভ্যাকসিন কার্যকরী কিনা বোঝা বা বলা যাবে না।

সেক্ষেত্রে এত দ্রুত কোনও সিদ্ধান্তে এসে পৌঁছনো উচিত নয়। পাশাপাশি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যে ২১টি ভ্যাকসিনকে সম্ভাব্য কার্যকরী ভ্যাকসিনের তালিকায় রেখেছে, তার মধ্যে এই ভ্যাকসিনের নাম নেই। রয়েছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি ভ্যাকসিন ও চিনা ফার্ম সিনোভ্যাকের তৈরি ভ্যাকসিন। হু জানাচ্ছে স্কেনোভ বিশ্ববিদ্যালয় মাত্র ৪০ জন স্বেচ্ছাসেবীর ওপর এই পরীক্ষা করেছে।

কিন্তু গাইডলাইন বলছে, অন্তত ১০০ জনের ওপর চালাতে হবে পরীক্ষানিরীক্ষা। তবেই রেজাল্টকে বাস্তবসম্মত বলে ধরা হবে। তাই রাশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ভ্যাকসিন প্রাথমিক স্তরে রয়েছে বলে দাবি করেছে হু।

ইনস্টিটিউট অফ মেডিকাল প্যারাসাইটোলজির ডিরেক্টর আলেকজান্ডার লুকাসেভ জানানএই সমীক্ষার ফল সাফল্য আনবে। সমগ্র মানব জাতিকে বাঁচাবে বলে তাঁর আশা। লুকাসেভ জানান এই করোনা ভ্যাকসিন সম্পূর্ণ নিরাপদ।

আপাতত যে কয়েকটি ভ্যাকসিনের ওপর কাজ চলছে, তার মধ্যে সর্বাধিক নিরাপদ এই ভ্যাকসিন, তা বলাই যায়। রবিবার রাশিয়া দাবি করে বিশ্বে এই প্রথম কোনও করোনা ভ্যাকসিন প্রতিটি মানব ট্রায়াল পাশ করল সাফল্যের সাথে।

ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রতিটি ধাপই সফলতার সাথে পেরিয়ে গিয়েছে রাশিয়ার মস্কো স্টেট মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির পরীক্ষামূলক করোনা ভ্যাকসিন। তবে তাঁদের এই দাবি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.