চণ্ডিগড়: হরিয়ানার রেওয়ারি রেলওয়ে জংশনকে ৮ অক্টোবর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিল পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ। পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, করাচি থেকে হুমকি সহ একটি চিঠি পাওয়া গিয়েছে এবং মনে করা হচ্ছে এই বার্তা এসেছে জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের তরফ থেকে।

এরপর থেকেই স্টেশন চত্বরে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। গোটা এলাকা মুড়ে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তা বলয়ে। বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। রেলের তরফ থেকে যথেষ্ট তৎপরতার সঙ্গে এই বিষয়ে কাজ করা হচ্ছে।

পাকিস্তানের জইশ-ই-মহম্মদের একটি দল ভারতে জলপথে হামলা করার জন্য তাদের লোকজনকে ট্রেনিং দিচ্ছে। তবে ভারতীয় নৌবাহিনী সেই হামলা প্রতিহত করার জন্য প্রস্তুত বলেও জানিয়েছিলেন নৌবাহিনীর প্রধান আদমিরাল করমবীর সিং।

তারপরেও বিএসএফের তরফে জানানো হয় প্রায় ৫০ জন জইশ জঙ্গি জলপথে ভারতে হামলা করার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, এই সকল জঙ্গিদের বিশেষ ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে যাতে তাঁরা জলপথে হামলা চালাতে পারে। যা দক্ষিণ কম্যান্ডের তরফে জানানো হয়েছে।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল এসকে সাইনি জিওসি ইন সি দক্ষিণ কম্যান্ডের তরফ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে ভারতের দক্ষিণাংশে জঙ্গি আক্রমণ হতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.