চন্ডীগড়: একটা বা দুটো নয়, একসঙ্গে চার চারটে ঘটনা৷ হরিয়ানা থেকে মধ্যপ্রদেশ, বিহার, বিজেপি থেকে কংগ্রেস, বৃহস্পতিবার চার চারজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের কাজকে ঘিরে যে গুঞ্জন তাইই সংবাদের শিরোনামে৷ আর এই চারটে ঘটনা থেকেই ওই মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা৷

ঘটনা ১-
ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা এবং হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টরের সঙ্গে এক ব্যক্তি সেলফি নেওয়ার চেষ্টা করলে তার ফোন এক ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী৷ কারনালের এই ঘটনার ছোট্ট ভিডিও ক্লিপিংস নিমেষে উঠে আসে সোশ্যাল মিডিয়ায়৷ আবার বিজেপি সুপ্রিমো, দেশের প্রধানমন্ত্রী তার অনুরাগীদের সঙ্গে হাসিমুখেই বারবার ধরা দিয়েছেন এই সেলফিতেই৷

পড়ুন: ভারতীয় সেনার মেজরের জীবন রহস্য রোমাঞ্চে ভরা

ঘটনা ২-
দ্বিতীয় ঘটনা মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথের৷ উজ্জয়নে মহাকাল মন্দিরে কমল নাথ উপস্থিত হন৷ তাঁকে ঘিরে ছিল রাজ্য পুলিশ, উপস্থিত ছিল মুখ্যমন্ত্রীর পরিবার, সেই সঙ্গে ছিল একটি অ্যাম্বুলেন্সও৷ যতক্ষণ তিনি মন্দিরের মধ্যে ছিলেন ততক্ষণ জনসাধারণ ঈশ্বর দর্শন করতে পারেনি বলে সংবাদ সূত্রে খবর৷ এই নিয়েও শুরু হয় গুঞ্জন৷

ঘটনা ৩-
মধ্যপ্রদেশের অন্য আরেকটি ঘটনা৷ এক কংগ্রেস বিধায়ক এক পুলিশ আধিকারিকের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন৷ জানা যায়, ট্রাফিক পেনাল্টি ইস্যুকে কেন্দ্র করে এই বিবাদ ঘটে৷ মঙ্গলবার এই ঘটনা ঘটার সময় তা ক্যামেরাবন্দি হয়৷ থান্ডলার কংগ্রেস বিধায়ক বীর সিং ভুরিয়াকে ট্রাফিক পেনাল্টিকে কেন্দ্র করে তর্ক করেন এবং সেই সঙ্গে পুলিশ আধিকারিককে হুমকিও দেন বলে জানা যায়৷

ঘটনা ৪-
চতুর্থ ঘটনা বিহারের৷ যেখানে বিহারে এক বিধায়ক পরিবারের সদস্যকে মেডিক্যাল স্টোরের বিক্রেতাকে অপমান করার ঘটনা প্রকাশ্যে আসে৷ জানা যায়, বিজেপি নেত্রী রেণু দেবীর ভাই ওই মেডিক্যাল স্টোরে ঢুকলে তাকে সম্মান প্রদর্শন করতে মেডিক্যাল শপকীপার উটে না দাঁড়ানোয় তাকে মারধোর করা হয় যা সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ে৷