চণ্ডীগড়: সোমবার সকাল থেকেই চলছে বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব। সকাল থেকে খুব বেশি না হলেও দ্বিতীয় দফায় মানুষের ভিড় বেশ বেশি। তবে এ এক অন্য গল্প। তিনি হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টড়। চন্ডীগড় থেকে ট্রেনে চেপে এসে ভোটদান করেছেন তিনি।

গণতন্ত্রের অংশীদার হিসেবে সোমবার সকালে জন শতাব্দী এক্সপ্রেসে চেপে করনালে পৌঁছেছেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর। তবে সেখান থেকে পোলিং বুথে পৌঁছতে তিনি ব্যবহার করেছেন সাইকেলের। যা এই বয়সে খুব একটা স্বাভাবিক দৃশ্য নয়। এই দেখে অনেকেই উদ্বুদ্ধ হয়েছেন।

হরিয়ানায় বিধানসভা নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন ভোট শান্তিপূর্ণভাবেই চলছে রাজ্যে। কংগ্রেস সহ অন্যান্য বিরোধি দলকে রীতিমত কটাক্ষ করেন। তিনি বলেছেন, “বিরোধিরা হেরে গিয়েছেন তাই যুদ্ধক্ষেত্র ছেঁড়ে পালিয়ে গিয়েছেন। বড় বড় কথা বলে কোন লাভ নেই। ঠিক এই ভাষাতেই বিরোধিদের উপর আক্রমণ শানালেন মনোহর লাল খট্টড়।

হরিয়ানায় নির্বাচনে লড়বে বিজেপি, কংগ্রেস এবং জাতীয় লোক দল। হরিয়ানাতে ৯০ টি আসনে নির্বাচন হবে, যার মধ্যে ১৭ টি সংরক্ষিত। নির্বাচন উপলক্ষে মোট প্রার্থী ১১৬৯ জন। প্রায় ১.৮৩ কোটি ভোটার নির্বাচনে ভোট দেবেন। এদের মধ্যে ৯৯ লক্ষ পুরুষ ভোটার এবং ৮৫ লক্ষ মহিলা ভোটার। রাজ্যর ১৬,৩৭৫ টি পোলিং ষ্টেশনে নির্বাচন হবে।

হরিয়ানার প্রধান নির্বাচন অফিসার অনুরাগ আগরওয়াল জানিয়েছেন, নির্বাচন উপলক্ষে রাজ্যজুড়ে সকল পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ মনোজ যাদব জানিয়েছেন, পুলিশ রাজ্য জুড়ে স্বচ্ছ এবং স্বাভাবিক নির্বাচনের আশ্বাস দিচ্ছে। জানিয়েছেন ৭৫০০০ পুলিশ কর্মীরা রাজ্যজুড়ে মোতায়েন থাকবে। এছাড়াও বিশেষ কিছু বুথেও থাকবে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা।

কুস্তিগির এবং অলিম্পিক পদকজয়ী যোগেশ্বর দত্ত বরোদা থেকে তাঁর ভোট দিয়েছেন। তিনিও এই নির্বাচনে কংগ্রেসের কৃষাণ হুদার বিরুদ্ধে লড়ছেন। অভিজ্ঞ ন্যাশানালিস্ট কংগ্রেস দলের নেত্রী সুপ্রিয়া সুলে বারামতি থেকে ভোট দিয়েছেন। এছাড়া টিকটক সেলেব সোনালি ফোগাট বিজেপির টিকিটে এই নির্বাচন থেকে লড়ছেন। তিনিও তাঁর ভোট দিয়েছেন।