চণ্ডীগড়: বিক্ষোভের হাতিয়া হয়ে উঠে এলো গোবর! সেই গোবর লেপে দেওয়া হলো বিজেপি নেতাদের গাড়িতে। ছবিটি হরিয়ানা থেকে ভাইরাল হয়েছে। এদিকে তিন কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ চলছে দিল্লির উপকণ্ঠে।

আন্দোলনরত কৃষক সংগঠনগুলির স্পষ্ট দাবি, সুপ্রিম কোর্টের গড়ে দেওয়া কমিটির সঙ্গে আলোচনা করা হবে না। আইন বাতিল করতেই হবে। আসন্ন সাধারণতন্ত্র দিবসে দিল্লিতে কৃষক মিছিল ঘিরে সরগরম পরিস্থিতি।

কৃষক বিক্ষোভের রোষে হরিয়ানা জুড়ে তুমুল আলোড়ন। বিভিন্ন গ্রামের পঞ্চায়েত ইতিমধ্যেই স্থানীয় বিজেপি বিধায়কদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। বিভিন্ন সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবর, হরিয়ানার ৬০ থেকে ৬৫ টি গ্রামে বিজেপি এবং ও জোট শরিক জেজেপি (জননায়ক জনতা পার্টি) নেতাদের প্রবেশে কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বিভিন্ন পঞ্চায়েত। বিভিন্ন গ্রামের বাইরে পড়েছে সেই নোটিশ। কৃষি আইনের প্রতিবাদে কৃষকদের পাঞ্জাব থেকে দিল্লি যাওয়ার সময় হরিয়ানা সরকার বাধা দিয়েছিল। আন্তঃরাজ্য সীমানায় সেই পুলিশি ব্যারিকেড উপড়ে ফেলেন কৃষকরা।

বিক্ষোভের রেশ এর পরেই ছড়ায় বিজেপি-জেজেপি শাসিত হরিয়ানায়। কৃষক আন্দোলনের ধাক্কায় বিজেপি শরিক জেজেপি প্রধান দুষ্মন্ত চৌতালা সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আগেই। তিনি জোট ছাড়লে হরিয়ানায় মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টারের নেতৃত্বে এনডিএ সরকারের পতন হবে। তবে দুষ্মন্ত চৌতালার ভূমিকা নিয়েও সরব কৃষক সংগঠনগুলি। সেই ক্ষোভে জেজেপি পার্টির বিধায়কদের নিজ নিজ এলাকার গ্রামে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। বিরোধী কংগ্রেস নেতৃত্ব কৃষক আন্দোলন কে সমর্থন জানিয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।