চণ্ডীগড়: করোনা আতঙ্কে এবার কড়া পদক্ষেপ নিল হরিয়ানা। স্বাস্থ্যমন্ত্রী অনিল ভিজ রাজ্যে সমস্ত মিছিল এবং ক্রীড়া ইভেন্টের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। যাতে কোনভাবে এই ভাইরাস কাউকে আক্রমণ করতে না পারে।

সাংবাদিকদের তিনি আরও জানান, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে তারা বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই কারণেই যে কোন রকমের মিছিলের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি যে কোন রকমের ক্রীড়া ইভেন্টেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

এছাড়াও রাজ্যজুড়ে ১০০ টি হেলথ ক্যাম্প গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন সে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি বিনামূল্যে ওষুধ মানুষের মধ্যে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার হরিয়ানা সরকার করনা ভাইরাস আক্রমণকে এপিডেমিক হিসেবে ঘোষণা করেছিল। সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ টি আইসলেশন ওয়ার্ড এবং একাধিক ১২০৬ টি বেডের ব্যবস্থা করা হয়েছে সরকারের তরফ। এছাড়াও এই ভাইরাস প্রতিরোধে অন্যান্য রাজ্য যথেষ্ট সতর্ক ভূমিকা গ্রহন করেছে। করোনা ভাইরাস আতঙ্কের জেরে ভারত বাংলাদেশের সীমান্তে যাতায়াতের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

প্রসঙ্গত, হু-হু করে দেশে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। শনিবার বিভিন্ন রাজ্য থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুসারে শনিবার মধ্যরাত পর্যন্ত এই সংখ্যা ১০০ ছুঁয়েছে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া সরকারি তথ্য অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত ৮৪ জন আক্রান্তের খবর জানানো হয়েছে।

এদিকে দেশের মধ্যে মহারাষ্ট্র থেকে সর্বাধিক করোনা সংক্রমণের ঘটনা সামনে এসেছে। শুক্রবার পর্যন্ত মহারাষ্ট্রে মোট ১৯ জনের দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া গিয়েছে। ২৪ ঘণ্টা যেতে না যেতেই শনিবার রাত পর্যন্ত সেই সংখ্যাটা এক লাফে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১। এছাড়া কেরালা থেকে মোট ২২ জনের করোনায় সংক্রামিত হওয়ার খবর মিলেছে।

মহারাষ্ট্র ছাড়াও এদিন রাজস্থান, তেলেঙ্গানা এবং কেরালা থেকে একজন করে নতুন করোনা আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। প্রসঙ্গত, ভারতে মোট করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে বর্তমানে ১০ জন সম্পূর্ণ সুস্থ এবং দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। কর্নাটক এবং দিল্লিতে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। যদিও, বিশ্বব্যাপী বিস্তার করা করোনাকভাইরাসকে ‘বিপর্যয়’ হিসেবে ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।