ফাইল ছবি।

নয়াদিল্লি: পশ্চিমবঙ্গের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন। কেন্দ্রের তরফে পশ্চিমবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় পজি়টিভিটি রেট ৪০ শতাংশ বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো বৃদ্ধি করতে এবং আরও করোনা পরীক্ষা করার কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীকে।

চিঠিতে হর্ষ বর্ধন জানিয়েছেন, বাংলায় হাসপাতালগুলিতে শয্যা সংখ্যা এবং স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত সুবিধা বাড়াতে দেশ জুড়ে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেই দিকে নজর দিতে পারে বাংলা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিন সরবরাহের দাবী তুলেছেন। সেই দাবীর প্রসঙ্গ তুলে হর্ষ বর্ধন জানিয়েছেন, কেন্দ্র পশ্চিমবঙ্গ সহ দেশের অন্য়ান্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার, স্বাস্থ্যকর্মী ও ৪৫ বছর ঊর্ধ্বদের জন্য ভ্য়াকসিন সরবরাহ করা রাজ্যের গড় খরচ ভিত্তিতে গণনা করা হবে। তিনি আরও বলেছেন, বাংলাকে ইতিমধ্যেই ১ কোটি ১৮ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩৪০ ডোজ ভ্যাকসিন দেওযা হয়েছে। এরপর ২ লক্ষ ভ্যাকসিন ডোজ পাইপলাইনে রয়েছে। এগুলি যত দ্রুত সম্ভব পাঠানো হবে।

রাজ্যে ভ্যাকসিন অপ্রতুল বলে একাধিকবার কেন্দ্রকে জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এমনকী ভ্যাকসিনের ভিন্ন দাম নিয়েও সরব হয়েছে রাজ্য। এনিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশে ভ্যাকসিনের ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। দেরি না করে বিনামূল্যে যাতে সকলে ভ্যাকসিন পেতে পারেন, সে ব্যাপারে আবেদন জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ কেন্দ্রের কাছে বাড়তি অক্সিজেনের দাবি জানিয়েছেন তিনি৷ মমতা চিঠিতে জানিয়েছেন, ‘রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বাড়ার কারণে মেডিক্যাল অক্সিজেনের চাহিদা বেড়েছে। রোজই প্রায় ৪৭০ মেট্রিক টন অক্সিজেন লাগছে। আগামী ৭-৮ দিনে তা বেড়ে হতে পারে ৫৫০ মেট্রিক টন। সেখানে ৩০৮ মেট্রিক টন অক্সিজেন পাচ্ছে রাজ্য৷’চিঠির উপরে মুখ্যমন্ত্রী পেন দিয়ে লিখেছেন ‘Very Urgent’৷ তারপরই হর্ষ বর্ধনের তরফ থেকে এই প্রতিক্রিয়া আসে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.