লন্ডন: মাইকোনসে ছুটি কাটাতে গিয়ে পানশালার বাইরে পুলিশের সঙ্গে বচসা এবং হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ার অপরাধে গ্রীসের আদালতে দোষী সাব্যস্ত হলেন হ্যারি ম্যাগুয়ার। গত শনিবার আদালতে গিয়ে নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করলেও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড অধিনায়ক। শারীরীক নিগ্রহ, ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা, পুলিশের সঙ্গে অসংযত আচরণ ইয়্যাদি নানা অভিযোগে দোষী প্রমাণিত হয়েছেন ইংল্যান্ডের জাতীয় দলের এই ফুটবলার।

একইসঙ্গে ম্যাগুয়ার দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তাঁকে নেশনস লিগের স্কোয়াড থেকে ছেঁটে ফেললেন গ্যারি সাউথগেট। নেশনস লিগে আসন্ন আইসল্যান্ড এবং ডেনমার্কের বিরুদ্ধে স্কোয়াড থেকে মঙ্গলবার ম্যাগুয়ারকে ছেঁটে ফেললেন ইংরেজ কোচ। উল্লেখ্য, বিচারাধীন থাকার সময়ে প্রাথমিকভাবে স্কোয়াডে জায়গা করে নিয়েছিলেন ম্যাগুয়ার। তবে ম্যাগুয়ারের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে ২১ মাস ১০ দিনের কারাদন্ড থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। জানা গিয়েছে প্রথমবার এমন কান্ড ঘটানোয় রেহাই পেয়েছেন ইংরেজ ফুটবলার।

সাউথগেট ম্যাগুয়ারকে স্কোয়াড থেকে ছেঁটে ফেলার প্রসঙ্গে মঙ্গলবার সন্ধেয় জানিয়েছেন, ‘গোটা ঘটনা যেদিকে বাঁক নিয়েছে তাতে আমি আসন্ন আইসল্যান্ড এবং ডেনমার্ক ম্যাচের জন্য ইংল্যান্ড স্কোয়াড থেকে হ্যারি ম্যাগুয়ারকে বাদ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করলাম।’ ইংল্যান্ড কোচ আরও বলন, ‘আমি আগেই বলেছিলাম পরিস্থিতির দিকে আমি নজর রাখছি। ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড এবং স্কোয়াডের সকল ফুটবলারদের সঙ্গে আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। আমরা চাই আগামী সপ্তাহে আমাদের প্রস্তুতিতে যাতে কোনও প্রভাব না পড়ে।’

তবে গোটা ঘটনায় ম্যাগুয়ার দুঃখপ্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন সাউথগেট। একইসঙ্গে তাঁর লিগ্যাল টিমকে রায়ের বিরুদ্ধে আদালতে পুনরায় আবেদন করার নির্দেশ দিয়েছেন ম্যান ইউ অধিনায়ক। উল্লেখ্য, মরশুম শেষের পর গ্রিসে ছুটি কাটাতে গিয়ে সেখানকার মাইকোনস দ্বীপে একটি পানশালার বাইরে গত বৃহস্পতিবার পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে ম্যাগুয়ার। ঘটনায় ম্যান ইউ ডিফেন্ডারকে তাঁর ভাই এবং এক বন্ধুর সঙ্গে গ্রেফতার করে স্থানীয় পুলিশ। গত শনিবার তাঁর বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছিলেন হ্যারি ম্যাগুয়ার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।