এসসি ইস্টবেঙ্গল বনাম মুম্বই সিটি এফসি ম্যাচের বিশ্লেষণে কলকাতা ২৪x৭-এ কলম ধরলেন আইএসএলের প্রাক্তন তারকা ফুটবলার রহিম নবি।

প্রথমেই বলি এত গোল মিস আর এত খারাপ ডিফেন্স নিয়ে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে কী করে ম্যাচ জেতা যাবে? হরমনপ্রীত সিং ম্যাচ শেষের কিছুক্ষণ আগে যে জায়গা থেকে হেডটা মিস করল, আমি তো বলব ওটা ক্ষমার অযোগ্য। হরমনপ্রীতকে পুরো ৯০ মিনিট মাঠে রাখার কোনও যুক্তিই তো আমি খুঁজে পাচ্ছি না।

ম্যাচের আগে দল নির্বাচন নিয়ে অনেক আলোচনা করেছি। মুম্বইয়ের মত দলের বিরুদ্ধে দল নির্বাচনটাই আসল ছিল। সেখানেই মস্ত বড় ভুল করে ফেললেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। দ্বিতীয়ার্ধে দুরন্ত ফুটবল খেলার পরেও ম্যাচের এই ফলাফলের জন্য সঠিক দল নির্বাচনে ব্যর্থতাকেই দায়ী করব আমি। রক্ষণও মোর্তাদা ফলের গোলটার সময় রক্ষণভাগ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখল। মহম্মদ রফিককে এই দলটার শুরু থেকে দরকার ছিল। মুম্বই সিটি এফসি প্রথমার্ধেই তাদের সেরাটা দিচ্ছে চলতি মরশুমে। তাই প্রথমার্ধে ওদের আক্রমণে রাশ টানা দরকার ছিল।

ব্রাইটকেও দ্বিতীয়ার্ধে নামানো উচিৎ হয়নি। শুরু থেকে নামালে মুম্বই রক্ষণ অনেক বেশি চাপে থাকত। সবমিলিয়ে আমি বলব ভুলে ভরা দল নির্বাচন। কোচ কী ভেবে যে দল নির্বাচন করছেন আমার মাথায় ঢুকছে না। দ্বিতীয়ার্ধে ভাল ফুটবল খেললেও এদিন প্রথমার্ধে এত বেশি মিস পাস আর ব্যাক পাস করেছে ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা, যা এই ক্যাটেগরির ফুটবলে মানা যায় না। তবে হ্যাঁ, দ্বিতীয়ার্ধের সুন্দর ফুটবলের তারিফ করতেই হবে। মুম্বইয়ের থেকে অনেক বেশি সুযোগ দ্বিতীয়ার্ধে তৈরি করেছে ইস্টবেঙ্গল। মুম্বইকে ওদের যোগ্যতা অনুযায়ী খেলার সুযোগই দেয়নি লাল-হলুদ।

সবমিলিয়ে আমি বলব প্রথমার্ধে ফলের গোলটার ক্ষেত্রে ডিফেন্সের ভুলটাই সব শেষ করে দিল। ড্যানি ফক্স, স্কট নেভিলের মত ডিফেন্ডাররা ফলকে ওভাবে একা ছেড়ে দিল গোলের সময়। এতা কিছুতেই মেনে নাওয়া যায় না। দেবজিতও একটা মারাত্মক ভুল করে ফেলেছিল। কপাল ভাল বোউমাস ওটা বাইরে মারল। এই ম্যাচটা নিদেনপক্ষে ড্র রাখা উচিৎ ছিল। মুম্বইয়ের কাছে হেরে অনেকটাই পিছিয়ে পড়ল ইস্টবেঙ্গল।

তবে এখনই বলব না যে সব শেষ। তবে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে দাপুটে ফুটবল খেলার পরেও ম্যাচ হারটা মেনে নেওয়াটা একটু কঠিন। অন্তত ড্র থাকলে যোগ্য ফলাফল হত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।