মুম্বই: ভারতের অনান্য খেলোয়াড়ের মতোই সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে টি-২০ চ্যালেঞ্জে মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন ভারতীয় মহিলা টি-২০ দলের ক্যাপ্টেন হারমনপ্রীত কউর৷

রবিবার আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠকের পর বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়ে ছিলেন টি-২০ চ্যালেঞ্জ সিরিজ নিয়েও বোর্ডের পরিকল্পনা প্রস্তুত। মেয়েদের আইপিএল তথা টি-২০ চ্যালেঞ্জ সিরিজ আয়োজনের বিষয়টিকে সমান গুরুত্ব সহকারে দেখছে বিসিসিআই। ছেলেদের আইপিএলের শেষদিকে অর্থাৎ ১-১০ নভেম্বর মেয়েদের ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে বলে নিশ্চয়তা দিয়েছেন বোর্ড সভাপতি।

এর পরই টি-২০ চ্যালেঞ্জ নিয়ে উৎসাহ দেখাতে থাকেন ভারতীয় দলের মহিলা ক্রিকেটাররা৷ মার্চ মাসে টি-২০ বিশ্বকাপ ফাইনালের পর থেকে ভারতীয় মহিলা দল খেলেনি। আইপিএলের শেষলগ্নে তিন দলের মধ্যে চারটি ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে৷

এ প্রসঙ্গে ভারতীয় মহিলা টি-২০ দলের ক্যাপ্টেন হরমনপ্রীত বুধবার বলেন, ‘হ্যাঁ অবশ্যই আমি মহিলাদের চ্যালেঞ্জের জন্য উচ্ছ্বসিত৷ কারণ এটি আমাদের দুবাইয়ে প্রথম সফর৷ আমরা এর আগে ওখানে খেলিনি৷’ ডব্লিউটিএফ স্পোর্টসের গ্লোবাল ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসাবে হরমনপ্রীতকে বেছে নেওয়া হয়৷ যা ভারতে একটি অ্যাপ চালু করেছিল৷

মঙ্গলবার মহিলা টি-২০ চ্যালেঞ্জ টুর্নামেন্ট করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে স্মৃতি মন্ধনা জানিয়েছিলেন, তিনি এই টুর্নামেন্টে খেলার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন৷ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে মন্ধনা টুইটারে লেখেন, ‘স্বাগত পদক্ষেপ, সত্যই মহিলা টি-২০ চ্যালেঞ্জ খেলার প্রত্যাশায় রইলাম৷’

সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর পরিস্থিতি দেখে টি-২০ ক্যাপ্টেন বিস্মিত হন না। তবে অস্ট্রেলিয়ায় উইমেনস বিগ ব্যাশের সঙ্গে এই ইভেন্টটি একই সঙ্গে হওয়ায় কজন তারকা বিদেশী খেলোয়াড় খেলবেন তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে৷

হরমনপ্রীত বলেন, ‘উইকেট কেমন হবে তা নিয়ে আমার প্রশ্ন ছিল। আমাদের সর্ব শক্তি দিয়ে খেলতে হবে৷ কারণ সর্ব শক্তি দিয়ে না-খেলে স্বাভাবিক খেলাটা বেরিয়ে আসবে না৷ দেশের হয়ে এখনও পর্যন্ত ১১৪টি টি-২০ এবং ৯৯টি ওয়ান ডে খেলেছেন হরমনপ্রীত৷

তিনি আরও বলেন, ‘আমি আশা করি আমরা যে সুযোগ পেয়েছি, তা কাজে লাগিয়ে পুরুষদের আইপিএলের মতো মহিলাদের আইপিএল (চ্যালেঞ্জ) খেলার জন্য উচ্ছ্বসিত। আশা করি আমরা চারটি ম্যাচে ভালো ক্রিকেট উপহার দিতে এবং সবাইকে বিনোদন দিতে পারব৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।