নয়াদিল্লি: কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ে সন্ত্রস্ত গোটা দেশ। ফের সংক্রমণের মাত্রা ঊর্ধ্বমুখী। মহারাষ্ট্র সহ একাধিক রাজ্য কোভিড উদ্বেগে ফের লকডাউনের পথে হেঁটেছে। চলচ্চিত্র তারকা থেকে শুরু করে ক্রীড়াক্ষেত্রের তারকারা, কোভিডের কোপে সকলেই। গত মাসের শেষদিকে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন জাতীয় মহিলা টি-২০ দলের অধিনায়কা হরমনপ্রীত কর। তবে মারণ ভাইরাসকে হারিয়ে তিনি সুস্থ হয়েছেন বলে শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের মাধ্যমে জানিয়েছেন হরমনপ্রীত।

তিনি সুস্থ হলেও করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য অনুরাগীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়েছেন ভারত অধিনায়িকা। টুইটারে হরমনপ্রীত লিখেছেন, ‘তোমাদের জানাতে পেরে খুশি যে আমার কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে এবং অনেকটাই সুস্থ বোধ করছি। তবে তোমাদের কাছে আমার অনুরোধ নিজের যত্ন নাও এবং বাড়তি সতর্ক থাকো। এই ভাইরাস অত্যন্ত সাংঘাতিক। প্রশাসনের তরফ থেকে বেঁধে দেওয়া সমস্ত বিধিনিষেধ মেনে চলো তোমরা। এই লড়াইয়ে যারা সামিল রয়েছে তাদের জন্য আরও শক্তি প্রার্থনা করি।’

গত ৩০ মার্চ মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন হরমনপ্রীত। তাঁর শরীরে মৃদু উপসর্গ ছিল বলেও জানিয়েছিলেন দেশের টি-২০ অধিনায়কা। অর্থাৎ, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে ওডিআই সিরিজ খেলার পরেই করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন হরমনপ্রীত। পাঁচ ম্যাচের ওডিআই সিরিজে অংশ নিলেও পরবর্তীতে প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজে দলকে নেতৃত্ব দিতে পারেননি তিনি। কারণ, গত ১৭ মার্চ সিরিজের অন্তিম ওডিআই ম্যাচে চোট পেয়ে টি-২০ সিরিজ থেকে ছিটকে যেতে হয়েছিল তাঁকে।

ওডিআই সিরিজে দলকে হারতে হলেও ভালো ফর্মে ছিলেন হরমনপ্রীত নিজে। একটি অর্ধশতরান এবং একটি চল্লিশোর্ধ্ব রানের ইনিংস এসেছিল তাঁর ব্যাট থেকে। শুধু ওডিআই নয়, পরবর্তীতে টি-২০ সিরিজেও প্রোটিয়াদের কাছে হারতে হয় উইমেন ইন ব্লু’কে। আগামী জুনে ইংল্যান্ডের মাটিতে রয়েছে ভারতের মহিলা ক্রিকেট দলের পরবর্তী অ্যাসাইনমেন্ট। ইংল্যান্ড সফরে একটি টেস্ট, ৩টি ওডিআই এবং ৩টি টি-২০ ম্যাচ খেলবে ভারতীয় দল।

আগামী ১৬ জুন ব্রিস্টলে শুরু সফরের একমাত্র টেস্ট ম্যাচ। ২০১৬ পর এই প্রথম আন্তর্জাতিক টেস্ট ম্যাচে অংশ নেবে জাতীয় মহিলা ক্রিকেট দল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.