নয়াদিল্লি: আমেরিকার বহুজাতিক মোটরবাইক সংস্থা হার্লে ডেভিডসন এবার হিরো মোটর কর্পের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধল। যৌথ বিবৃতিতে দুই সংস্থার পক্ষ থেকে এমনটাই জানানো হয়েছে। জানানো হয়েছে হার্লের তৈরি দামি মোটরবাইক এবার এ দেশের বাজারে বিক্রি করবে হিরো। পাশাপাশি তাদের মাধ্যমেই ওই বাইকের যন্ত্রাংশ এবং পরিষেবা দেয়া হবে।

মাস খানেক আগে হার্লে ডেভিডসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল এবার তারা ভারতে কারখানা বন্ধ করে দেবে। ফলে বাওয়ালে তারা কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলে। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এমন পদক্ষেপ তারা নিচ্ছে গোটা বিশ্বে তাদের ব্যবসা ঢেলে সাজানোর উদ্দেশ্যে।

এদিকে,এমন ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়ে মোদী সরকারের নীতির । বিদেশি লগ্নির আনার বদলে দেশে এমন ঘটনা ঘটছে বলে কটাক্ষ করা হয়। এক সময় খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হার্লে ডেভিডসনের বাইকের উপর থেকে চড়া কর প্রত্যাহারের দাবি তুলেছিলেন। সে দিক থেকে এবার হিরোর সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধা হার্লে ডেভিডসন ক্রেতাদের কিছুটা স্বস্তি দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

হার্লে ডেভিডসন এবং হিরো মোটর কর্পের মধ্যে এভাবে গাঁটছড়া বাঁধায় উভয়ের সংস্থারই সুবিধা হবে বলে দাবি করা হয়েছে। তাদের মধ্যকার চুক্তি অনুসারে হিরো এবার থেকে হার্লে ডেভিডসনের প্রিমিয়াম ব্র্যান্ডেড বাইক বিক্রি করবে এবং পরিষেবা দেবে । হিরো নিজস্ব নেটওয়ার্ক ডিলারের মাধ্যমে এই কাজ চলবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।