স্টাফ রিপোর্টার, শিলিগুড়ি: বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শরণাপন্ন হয়েছেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার নেতা বিমল গুরুং। তাঁর এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেন একদা মোর্চা নেতা, আজকের জন আন্দোলন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হরকা বাহাদুর ছেত্রী।

তাঁর বক্তব্য, বিমল গুরুং বুদ্ধিমানের মত কাজ করেছেন। ৩ বছরের অজ্ঞাতবাস শেষে প্রকাশ্যে এসে বুধবার চমক দেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার নেতা বিমল গুরুং। এদিন হঠাৎই কলকাতায় উদয় হন বিমল গুরুং। সঙ্গে ছিলেন তাঁর সহযোগী রোশন গিরি।

সাংবাদিক বৈঠক করে গুরুং বলেন, আমি এখনো মনে করি গোর্খাল্যান্ড গঠনের মাধ্যমেই আমাদের সমস্যার রাজনৈতিক সমাধান সম্ভব। তাই যে দল আমাদের দাবিকে সমর্থন করবে আমরা তাকেই সমর্থন করব।

এর পরই বিজেপির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলে গুরুং বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বারবার গোর্খাল্যান্ড গঠনের আশ্বাস দিলেও ৬ বছরে সেই দাবি পূরণ হয়নি।

তাই আমরা বিজেপির সঙ্গ ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করে গুরুং বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আদর্শ নেত্রী। আমরা চাই ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী দেখতে চাই মমতাকে। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের সঙ্গে লড়তে চাই।

হরকা বাহাদুর ছেত্রী বলেন, গুরুং বুঝতে পেরেছেন যে পাহাড়ে ফিরতে হলে তৃণমূলের সাহায্য ছাড়া উপায় নেই। রাজ্য সরকারের সঙ্গে সমঝোতা না করলে পাহাড়ে তাঁর থাকা সম্ভব নয়। আর বুঝেই তিনি ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারস্থ হতে চাইছেন। এটা বুদ্ধিমানের মতো কাজ।

হরকা বাহাদুর ছেত্রী আরও দাবি করেন, উনি যখন মোর্চায় ছিলেন, তখনও গুরুংকে বোঝানোর চেষ্টা করতেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই পাহাড়ে স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান সম্ভব। তাই তাঁর সঙ্গে বিবাদ করে লাভ নেই।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।