সিডনি: ক্যাঙ্গারুর দেশে সফরের শুরুটা মোটেই ভালো হল না বিরাট কোহলি নেতৃত্বাধীন টিম ইন্ডিয়ার। অস্ট্রেলিয়ার পাহাড়প্রমাণ লক্ষ্যমাত্রার সামনে দাঁড়িয়ে প্রথম ওয়ান-ডে ম্যাচে ৬৬ রানে পর্যুদস্ত হল ‘মেন ইন ব্লু’। ১৯৯২ বিশ্বকাপের রেট্রো জার্সিতে প্রথম ম্যাচে কোহলি অ্যান্ড কোম্পানিকে যতটা উজ্জ্বল দেখতে চেয়েছিলেন অনুরাগীরা সেটা তো হলোই না বরং অস্ট্রেলিয়া সফরে ভারতের শুরুটা হল ফ্যাকাসেভাবে। ব্যর্থ হল শিখর ধাওয়ান এবং হার্দিক পান্ডিয়ার ব্যাট হাতে লড়াই।

টস জিতে এদিন সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অজি অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। দীর্ঘ ৮ মাস পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরা টিম ইন্ডিয়ার বোলারদের নিয়ে ছেলেখেলা করলেন অজি ব্যাটসম্যানরা৷ প্রথম দুই ওপেনারের দেড়শো রানের পার্টনারশিপে বড় রানের ভিত গড়েছিল অস্ট্রেলিয়া৷ টি-২০ ঢংয়ে ব্যাটিং করে বিরাটদের কঠিন টার্গেট চাপিয়ে দেয় অজিবাহিনী। অ্যারন ফিঞ্চ ও স্টিভ স্মিথের দুরন্ত সেঞ্চুরি সঙ্গে ডেভিড ওয়ার্নারের হাফ-সেঞ্চুরি ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের ঝোড়ো ইনিংসে বিরাট কোহলির সামনে ৩৭৫ রানের টার্গেট রাখে অস্ট্রেলিয়া।

ওপেনিং জুটি ওয়ার্নার ও ফিঞ্চ ১৫৬ রান যোগ করে দিনের শুরুটা করেছিলেন৷ তারপর স্মিথ ও ম্যাক্সওয়েল বিরাটের বোলার ক্লাবস্তরে নামিয়ে এনে অস্ট্রেলিয়াকে সাড়ে তিনশো রানের গন্ডি পার করান৷ ৬৯ রানে মহম্মদ শামির শিকার হন ডেভিড ওয়ার্নার। ১২৪ বলে ১১৪ রানের ইনিংস খেলেন অজি অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ (৯টি চার, ২টি ছয়)। ৬৬ বলে স্মিথের ঝোড়ো ১০৫ রানের ইনিংস সাজানো ছিল ১১টি চার এবং ৪টি ছয়ে। শেষদিকে টি২০-র ঢং’য়ে ম্যাক্সওয়েল করেন ১৯ বলে ৪৫ রান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৭৪ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া৷ ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মার খান যুবেন্দ্র চাহাল৷ ১০ ওভারে ৮৯ রান দেন এই লেগ-স্পিনার৷ ১০ ওভারে ৮৩ রান খরচ করেন নভদীপ সাইনি৷ ৭৩ রান দেন বুমরাহ৷ ভারতের সফলতম বোলার হলেন শামি৷ ১০ ওভারে ৫৯ রান দিয়ে তিনটি উইকেট নেন তিনি৷ জাদেজা কোনও উইকেট না-পেয়ে ৬৩ রান দেন৷

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১০১ রানে ৪ উইকেট খুঁইয়ে একসময় বিপাকে পড়ে যায় টিম ইন্ডিয়া। স্বল্প রানে ফিরে যান ময়াঙ্ক আগরওয়াল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়স আইয়ার এবং কেএল রাহুল। সে সময় মনে হচ্ছিল পাহাড়প্রমাণ রানের সামনে বুঝি অসহায় আত্মসমর্পণ করবেন ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা। কিন্তু পঞ্চম উইকেটে রুখে দাঁড়ান শিখর ধাওয়ান এবং হার্দিক পান্ডিয়া। পঞ্চম উইকেটে এই দুই ব্যাটসম্যান যোগ করেন ১১৮ রান। কিন্তু ৩৫ তম ওভারে ধাওয়ান ৭৪ রানে ফিরতেই ম্যাচ জয়ের সম্ভাবনা কার্যত শেষ হয়ে যায়। এরপর ৩৯ তম ওভারে ৯০ রানে (৭৬ বল) পান্ডিয়া ফিরতেই হারের অপেক্ষার প্রহর গোনা শুরু হয়ে যায়। শেষ অবধি ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩০৮ রানের বেশি তুলতে পারেনি ‘মেন ইন ব্লু’।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১০ ওভারে ৫৪ রান দিয়ে সর্বাধিক ৪ উইকেট নেন অ্যাডাম জাম্পা। ৫৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন হ্যাজেলউড। এই জয়ের ফলে তিনম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।