চেন্নাই: সদ্য বাবা’কে হারিয়েছেন৷ ছ’ মাসের ছেলেকে নিয়ে সেই যন্ত্রণা অনেকটা ভুলেছেন হার্দিক পান্ডিয়া৷ ওয়ান ডে এবং টি-২০ সিরিজের পরই অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে দেশে ফিরেছিলেন ভারতীয় দলের অল-রাউন্ডার৷ কিন্তু ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম দু’টি টেস্টের দলে জায়গা পেয়েছেন হার্দিক৷

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ খেলতে বৃহস্পতিবার ভদোদরা থেকে চেন্নাই উড়ে যান হার্দিক৷ পরিবারকে সঙ্গে নিয়েই দলের সঙ্গে যোগ দিতে বিমান যাত্রা করেন ভারতীয় দলের ক্রিকেটাররা৷ হার্দিকও ব্যতিক্রম নয়৷ ছ’ মাসের ছেলে অগস্ত্যকে কোলে নিয়ে বিমান চড়ার ছবি টুইটারে পোস্ট করেন হার্দিক৷ ছবিতে দেখা গিয়েছে হাসিমুখে বাবা’র কোলে বসে রয়েছে অগস্ত্য। ক্যাপশনে হার্দিক লেখেন, ‘My boy’s first flight’.

অজি ‘বধ’ করে ঘরের মাঠে ইংরেজদের শাসন করতে বুধবারই চেন্নাই পৌঁছে গিয়েছেন অজিঙ্ক রাহানে ও রোহিত শর্মারা৷ বাকিরাও এদিনই দলের সঙ্গে টিম হোটেলে যোগ দেন৷ পিতৃত্বকালীন ছুটি কাটিয়ে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলিও৷ দলের সঙ্গে যোগ দিতে বৃহস্পতিবার ভদোদরা থেকে চেন্নাই উড়ে যান হার্দিক। সঙ্গে ছিলেন ছেলে অগস্ত্য ও স্ত্রী নাতাশা। এই প্রথম কোনও সফরে ছেলেকে নিয়ে গেলেন হার্দিক।

গত বছর জানুয়ারিতে মডেল-অভিনেতা নাতাশা স্ট্যানকোভিচের সঙ্গে বাগদান সারেন হার্দিক। জুলাই মাসে সন্তানের জন্ম দেন স্ত্রী নাতাশা। দেশ-বিদেশ থেকে অজস্র অনুরাগী তাঁকে শুভেচ্ছা জানান। পিছিয়ে ছিলেন না সতীর্থরাও। কোহালি, লোকেশ রাহুল, যুবেন্দ্র চহাল-সহ ক্রিস লিনের মতো তারকাও শুভেচ্ছা জানান। ছেলের বয়স যখন মাত্র ১৫ দিন, সে সময় আইপিএল খেলতে দেশ ছেড়ে ছিলেন৷

দেড় মাসের আইপিএলের পর সেখান থেকেই অস্ট্রেলিয়া সফরে উড়ে যান ভারতীয় ক্রিকেটাররা৷ ফলে সদ্যজাত সন্তানের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ হয়নি হার্দিকের৷ অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ওয়ান ডে এবং টি-২০ সিরিজের পর দেশে ফেরে হার্দিক৷ কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই বাবা’কে হারান টিম ইন্ডিয়ার এই ক্রিকেটার৷ ১৬ জানুয়ারি হার্দিকের বাবা হিমাংশু পান্ডিয়া হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান৷ সেই সব ভুলে জাতীয় দলের জার্সিতে ফের বাইশ গজে ফিরছেন টিম ইন্ডিয়ার এই অল-রাউন্ডার৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।